জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সদ্য বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৭.৮৬ শতাংশ। জিডিপির এই প্রবৃদ্ধি অর্জন গত অর্থবছরের বাজেটে নেওয়া লক্ষ্যমাত্রার ৭.৪ শতাংশের চেয়েও বেশি। সেই সঙ্গে বেড়েছে মাথাপিছু আয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) চূড়ান্ত হিসাবে এ চিত্র উঠে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রীর

সামনে জিডিপির এ চূড়ান্ত হিসাব তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রতিবছরই এখন এ ধরনের ঐতিহাসিক দিন আসবে। তবে আমরাই আমাদের রেকর্ড ভাঙব। সরকারি বিনিয়োগ বেড়ে গেছে, এ জন্য প্রবৃদ্ধি বাড়ছে। বেসরকারি বিনিয়োগ কম, তাতে খুব সমস্যা হচ্ছে না।

মুস্তফা কামাল বলেন, গত অর্থবছরে মোট বিনিয়োগ ছিল ৩১ দশমিক ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারি বিনিয়োগ ছিল ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ ছিল ২৩ দশমিক ২৬ শতাংশ।

এ ছাড়া একনেক সভায় দেশে দারিদ্র্যের হারও তুলে ধরা হয়েছে। দুই বছর আগে বিবিএসের সব শেষ তথ্য বলেছে, দারিদ্র্যের হার ২৪.৩ শতাংশ। তবে কামাল বলছেন, ২০১৭ সাল শেষে দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে ২৩.১০ শতাংশে। ২০১৮ সাল শেষে সেটি কমে ২১.৮ শতাংশে দাঁড়াবে।

বিবিএসের দেওয়া তথ্যমতে, বিদায়ী অর্থবছরে সরকার বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল ৭.৪ শতাংশ। সাময়িক প্রাক্কলনে তা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৭.৬৫ শতাংশ অর্জিত হয়। এখন চূড়ান্ত তথ্য বলছে, ৭.৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ০.৪৬ শতাংশ বেশি।

তিনটি খাতের প্রবৃদ্ধির হিসাব যোগ করে গড় হিসাবে মোট প্রবৃদ্ধি হিসাব করা হয়। এগুলো হলোÑ কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত।

অন্যদিকে গত অর্থবছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৫১ মার্কিন ডলার বা ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৮৯ টাকা। তার আগে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৬১০ ডলার। গত অর্থবছরে জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২৭৪ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার বা ২২ হাজার ৫০৫ বিলিয়ন টাকা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে