sara

পর্যালোচনার পর ইসির সিদ্ধান্ত : ভোট পেছাবে না

৩০ ডিসেম্বর ফাইনাল

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:৩৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভোট ৩০ ডিসেম্বরই হবে। এই তারিখ আর পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভোট পেছানোর দাবি পর্যালোচনা করে গতকাল বৃহস্পতিবার কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। ভোটগ্রহণের ২ থেকে ১০ দিন আগে মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন হতে পারে বলেও জানান তিনি।

গতকাল বিকালে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, কমিশন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলো পর্যালোচনা করেছে এবং এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে, আগামী মাসে বেশকিছু আইনি ও সাংবিধানিক বিষয় আছে। তাই হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। কোথাও পুনর্নির্বাচন বা উপনির্বাচন বা তদন্ত করার প্রয়োজন হতে পারে। নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশ, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের বিষয়ও আছে। এ ছাড়া বিশ্ব ইজতেমা জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ ও তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ৩০-৪০ লাখ ধর্মপ্রাণ

মুসলমান ও লক্ষাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত থাকবেন। কমিশন এসব বিশ্লেষণ করেছে।

ইসি সচিব বলেন, সব দিক বিবেচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৩০ ডিসেম্বরের পরে নির্বাচন পেছানো যুক্তিযুক্ত ও বাস্তবসম্মত হবে না। নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৩০ ডিসেম্বরই নির্বাচন হবে।

ঐক্যফ্রন্টের ইভিএম ব্যবহরা না করা ও সেনা মোতায়েনের দাবি প্রসঙ্গে কমিশনের সিদ্ধান্ত বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, শহরাঞ্চলে স্বল্প পরিসরে ইভিএম ব্যবহারে কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল আছে। সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যাপারে কমিশনের সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে কীভাবে, কবে মোতায়েন হবে, তা সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলাপ করে কমিশন পরে সিদ্ধান্ত নেবে।

এদিকে গতকাল সকালে নির্বাচন কমিশনে চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের দেওয়া ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, এবার নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ দেখানো যাবে না। নির্বাচনে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো যাবে না। যারা কাজে অবহেলা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে ইসি কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

অনুষ্ঠানে ইসি সচিব বলেন, নির্বাচনের ২-৩ দিন বা ৭-১০ দিন আগে নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী যাবে। বিজিবিও মোতায়েন হবে। তাদের থাকা-খাওয়ার বিষয়গুলো নির্বাচনের মাঠ কর্মকর্তাদের তদারকি করতে হবে।

এ বিষয়ে বিকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আমি বিষয়টি ওভাবে বলিনি। সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের প্রশিক্ষণে আমি বলেছি নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন হলে সেখানে তাদের থাকার ব্যবস্থা করতে। আমি থাকার বিষয়ে বলেছি। মোতায়েন হওয়া না হওয়ার বিষয়ে বলিনি।

ইসিকে সহযোগিতায় মাঠপ্রশাসনকে নির্দেশ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে মাঠপ্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়, তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনের ফল ঘোষণার ১৫ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তাকে বদলি করা যাবে না।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে