আবারও ক্ষমতায় আসা প্রয়োজন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৯:৪৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় আবারও বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় আসা প্রয়োজন। তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের সরকার পরিবর্তন হলেও অর্থনৈতিক অগ্রগতি থেমে থাকে না।

তারা পূর্ববর্তী সরকারের কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। এক সরকারের কাজ অন্য সরকার ভালোভাবে বাস্তবায়ন করে। কিন্তু আমাদের দেশে এর উল্টো হয়ে থাকে। আমাদের দেশের সংস্কৃতি অন্যরকম। তাই উন্নয়ন ধরে রাখতে আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা রাখা প্রয়োজন। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দিন দিন আমাদের মনমানসিকতা উন্নত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনেও এর প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি আমরা। সব রাজনৈতিক দল অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমরাও একদিন সেই উন্নত জায়গায় পৌঁছে যাব, সে পর্যন্ত আমাদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে যেতে হবে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে গত পাঁচ মাসে সর্বকালের সর্ববৃহৎ এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা এ বছর এডিপি পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়নে সার্থক হব। ফলে জিডিপি ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৩০ হবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশ হবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন আগামী ৩ বছরের মধ্যে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে ১০ ভাগের কাছাকাছি। আমরা যদি ১০ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারি, তা হলে উন্নয়নের হাত ধরে আমাদের দারিদ্র্যের হার অনেক কমে যাবে। শিক্ষার আরও উন্নতি হবে, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সব খাতেই বর্তমান সরকার উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে এখন বিদ্যুৎ ঘাটতি নেই। দেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থানও বাড়বে। রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে। সব খাতে উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখলে সব খাতে ভালোভাবে পৌঁছতে পারব। মুস্তফা কামাল বলেন, ২০৩০ সালে দেশে দারিদ্র্য থাকবে না। গত ১০ বছরে কর্মসংস্থান বেড়েছে, সামনে আরও বাড়বে। এখন আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিবছর ৪০ থেকে ৫০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ খাতে সরকারের কিছু ওভার সাইড দুর্বলতা রয়েছে। এ কারণে আর্থিক খাতের সমস্যা হয়েছে। সরকার সব বাধা দূর করে প্রবৃদ্ধি অর্জন বাড়াতে চায়। তাই আগামীতে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী যে কোনো খাতকে ঢেলে সাজানো হবে বা সংস্কার করা হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে