বাংলাদেশের ৪ ধাপ উন্নতি বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক

  আমাদের সময় ডেস্ক

১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:৫৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

১৬৩টি দেশকে নিয়ে করা বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক (জিটিআই) ২০১৮-এ দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা সার্বিকভাবে খারাপ হলেও উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। এক বছরের মধ্যে ২১তম স্থান থেকে চার ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ দাঁড়িয়েছে ২৫তম অবস্থানে।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল (১১ ধাপ, ৬১তম) ও শ্রীলঙ্কা (১৯ ধাপ, ৭৭তম) উন্নতি হয়েছে। তবে বাংলাদেশের নিকটতম দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ভারতের এক ধাপ (অষ্টম থেকে সপ্তম) এবং মিয়ানমারের ১৩ ধাপ (৩৭তম থেকে ২৪তম) অবনমন ঘটেছে। পাকিস্তান (পঞ্চম) ও আফগানিস্তানের (দ্বিতীয়) অবস্থান অপরিবর্তিত আছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেরও ১২ ধাপ (৩২তম থেকে ২০তম) অবনমন ঘটেছে। তালিকায় শূন্য পয়েন্ট নিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর ও কিউবাসহ ২৬টি দেশ।

অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সূচকে ১০-এর মধ্যে ৫ দশমিক ৬৯৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে স্কোর ছিল ৬ দশমিক ১৮১।

জিটিআই ২০১৮-এর ওই সূচকে ৯ দশমিক ৭৪৬ পয়েন্ট নিয়ে এর আগের বছরের (২০১৭) মতোই তালিকার এক নম্বরে আছে ইরাক। শুধু ইরাকই নয়, তালিকার শীর্ষে থাকা ৫টি দেশের কারও অবস্থানেই এক বছরের মধ্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ইরাকের পর এ তালিকায় রয়েছে যথাক্রমেÑ আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, সিরিয়া ও পাকিস্তান।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ের বড় সন্ত্রাসী ঘটনা হিসেবে ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান ক্যাফেতে জঙ্গি হামলায় ২৮ জনকে হত্যার ঘটনাটি উল্লেখ করা হয়েছে আইইপির প্রতিবেদনে। এতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বৈশ্বিক বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশে সহিংস চরমপন্থা দমনের পদক্ষেপগুলোর কথা বলা হয়েছে, ‘বৈশ্বিক বিনিয়োগ কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে পারে তার একটি কারণ হচ্ছে, সহিংস উগ্রপন্থার উৎস আন্তঃদেশীয়, এমনকি তা স্থানীয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও।’

সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এখন এদিকে নজর দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় এবং সাইবার নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুইফটে ঢুকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে