স্বামী সন্দেহ করায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ নভেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পূর্ব রামপুরায় লিমা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পূর্ব রামপুরায় ১৫৬ নম্বর বাড়ির নিচতলার একটি বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাথরুমের বেন্টিলেটরের সঙ্গে ওড়না বেঁধে গলায় গলায় ফাঁস দেন তিনি। স্বজনদের ধারণা, মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে স্বামী সন্দেহ করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন লিমা।

হাসপাতাল সূত্রে খবর পেয়ে লিমার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তার দুই হাতে ব্লেড দিয়ে কাটা দাগের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার গ্রামের বাড়ি মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার ম-লগাতিতে।

লিমার বাবা কবির হোসেন জানান, সপরিবারে পূর্ব রামপুরায় ১৫৬ নম্বর বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন তিনি। তিন বছর আগে সাভারের ইমারত হোসেন নামে এক যুবকের সঙ্গে লিমার বিয়ে হয়। ইমারত স্থানীয় সোয়েটার কারখানায় চাকরি করেন। বিয়ের পর লিমাও একটি গার্মেন্টেসে কাজ নেন। একপর্যায়ে মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে ইমারত লিমাকে সন্দেহ করতে শুরু করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ছয় মাস আগে একবার লিমা ঝগড়া করে বাবার বাসায় চলে আসেন।

লিমার মা আলেয়া বেগম জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাথরুমে যান লিমা। দীর্ঘক্ষণেও তার সাড়াশব্দ না পেয়ে বাথরুমের দরজা ভেঙে দেখতে পান মেয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন। বাথরুমের বেন্টিলেটরের সঙ্গে বাঁধা তার ওড়না। অচেতন অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় ফরাজি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লিমাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস দেওয়ার পর ওড়নার গিট খুলে লিমা নিচে পড়ে যান।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে