রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে আন্দোলন

আজ জরুরি বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ ব্যাংক

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ৮ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে পরীক্ষার্থীরা। গতকাল দ্বিতীয় দিনের আন্দোলন শেষে ধারাবাহিক আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বৈঠকে বসবে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে এ বৈঠকে ব্যাংকগুলোর এমডিরা উপস্থিত থাকবেন। গতকাল সকালে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে মানববন্ধন করতে জামায়েত হন। এ আন্দোলনের আহ্বায়ক শাফিন আহমেদ বলেন, শাহবাগে পুলিশ আমাদের থাকতে দেয়নি। এর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে যাওয়ার পথে দৈনিক বাংলা মোড়ে লাঠিচার্জ করে। কয়েকজন গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাদের পাঠানো স্মারকলিপিতে পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া, ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির (বিএসসি) সদস্য সচিবের পদত্যাগ, প্রতিটি কেন্দ্রে আসনবিন্যাস নিশ্চিত করা, বিতর্কিত কেন্দ্র বাদ দেওয়া, বিকল্প কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়াসহ ৯ দফা দাবি রয়েছে।

১২ জানুয়ারির পরীক্ষা বাতিলসহ ৯ দফা দাবিতে পরীক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। এসব দাবি মানা না হলে তারা আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শাফিন আহমেদ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার বিতর্কিত অবস্থা নিয়ে বলেন, পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে এসব কী হচ্ছে? একটি রাষ্ট্র কি এভাবে চলতে পারে? আজও তারা শাহবাগে মানববন্ধন করবেন। এ ছাড়া এই নিয়োগ পরীক্ষার সার্বিক দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দীনের কাছে স্মারকলিপি দেবেন।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আজ জরুরি বৈঠকে বসছে। বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সভা হবে। এতে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় নিয়োগের দায়িত্বে থাকা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি এবং ১৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া যায়। সারাদেশে ৬১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্র মালিকানাধীন আট ব্যাংক ও আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর এ নিয়োগ পরীক্ষায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার (সাধারণ) ১ হাজার ৬৬৩টি শূন্য পদে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫২৫ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে