sara

‘বন্দুকযুদ্ধ’

চট্টগ্রাম-কুমিল্লায় নিহত আরও ৩

  চট্টগ্রাম ব্যুরো ও দাউদকান্দি প্রতিনিধি

২১ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরী ও কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আরও তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানার মাদকস্পট বলে পরিচিত মতিঝরনা এলাকায় র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন দুজন। র্যাবের ভাষ্য, নিহতরা মাদককারবারি। তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি কর্মকর্তারা। দাউদকান্দিতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন মাদক মামলার আসামি খোরশেদ আলম (৪৮)। রাত দেড়টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন হাসানপুর সরকারি কলেজের উল্টো দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খোরশেদ দেবিদ্বার উপজেলার গংগানগর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।

এ নিয়ে গত ১৩ মে থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ৬৯ দিনে মাদকবিরোধী অভিযানে র্যাব ও পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৭।

র্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মিনতানুর রহমান জানান, রাতে দুই ব্যক্তি একটি মাইক্রোবাসে মাদকদ্রব্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। মাদকবাহী মাইক্রোবাসটিকে থামার সংকেত দেন টহলরত র্যাব সদস্যরা। গাড়িটি না থামিয়ে র্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তারা। আত্মরক্ষার্থে র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থলে দুজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৮৫ কেজি গাঁজা, একটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করার দাবি করে র্যাব।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, পুলিশের ‘তালিকাভুক্ত মাদককারবারি’ খোরশেদ কুমিল্লা থেকে প্রাইভেটকারে মাদকের চালান নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল হাসানপুর কলেজের কাছে মহাসড়কে যানবাহনে তল্লাশি শুরু করে। রাত দেড়টার দিকে খোরশেদের প্রাইভেটকার সেখানে এলে পুলিশ থামায়। কিন্তু তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এ সময় পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে খোরশেদ গুলিবিদ্ধ হন এবং অন্যরা পালিয়ে যান। কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ওসি আরও জানান, এলাকার মানুষ তাকে ‘কানা খোরশেদ’ নামে চেনে এবং তার বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে