• অারও

শ্যামলীতে গাড়ি ভাঙচুর করলেন পুলিশ সদস্য পেটালেন যাত্রীদের

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর শ্যামলীতে নিজের মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় হেলমেট দিয়ে একটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করেছেন পুলিশের চ্যান্সেরি বিভাগের এক কনস্টেবল। তার নাম আরিফুল ইসলাম রনি। গতকাল শুক্রবার বেলা আড়াইটায় তিনি শ্যামলীর মোড়ে প্রাইভেটকারটি শুধু ভাঙচুরই করেননি, মারধর করেছেন এর যাত্রীদেরও। প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ জনতা কনস্টেবলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ছাড়া পুলিশের গাড়ি আটকিয়ে বিক্ষোভ করেছে জনতা। গতকাল রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আদাবর থানার পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করছিল।

জানা গেছে, কনস্টেবল আরিফুলের বাবা সাইফুল ইসলাম স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নে (এসপিবিএন) সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। আরিফুল ইসলাম গুলশান এলাকায় ডিউটি করেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কার্ডিওলজি রেজিস্ট্রার ড. সাবরিনার ছেলে রাগীব মোহাম্মদ তিন বন্ধুকে নিয়ে একটি প্রাইভেটকারে (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৯-০৮২০) বনানী যাচ্ছিলেন। বেলা আড়াইটার দিকে শ্যামলী মোড়ে রাগীবের গাড়ির সঙ্গে কনস্টেবল আরিফের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগ্বিত-া হয়। এক পর্যায়ে আরিফুল তার হেলমেট দিয়ে রাগীবের গাড়ির সামনের ও পেছনের কাচ ভাঙচুর করেন। এরপর রাগীবের দুই বন্ধু নাহিন আর মাহাদিকেও মারধর করেন তিনি। জুমার নামাজ শেষে হট্টগোল দেখে মুসল্লি ও স্থানীয়রা ওই পুলিশ সদস্যের কাছে ভাঙচুর ও মারধরের কারণ জানতে চাইলে তাদের সঙ্গেও বিবাদে জড়ান আরিফুল ইসলাম। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা আরিফুলকে ঘেরাও করে রাখেন। খবর পেয়ে থানাপুলিশ এলে তাকে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগী রাগীবের বন্ধু অরিত্র বলেন, আমাদের গাড়িটি শ্যামলী মোড়ে আসতেই হঠাৎ আরিফুলের মোটরসাইকেল সামনে চলে আসে। এ সময় তার মোটরসাইকেলে সামান্য ধাক্কা লাগলেও তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি; কিন্তু তিনি হঠাৎ গাড়ি থেকে নেমে হেলমেট দিয়ে আমাদের গাড়ি ভাঙচুর করেন। এরপর লাঠি দিয়ে আমাদের বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন। অনেক অনুরোধ করার পরও তিনি ক্ষান্ত হননি। পুলিশের এমন আচরণের বিচার চাই আমরা।

তুচ্ছ ঘটনায় গাড়ি ভাঙচুর ও তার যাত্রীদের মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে কিছু জানাননি অভিযুক্ত কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম রনি।

আদাবর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা মামলা করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে