অস্ত্র নিয়ে মহড়া প্রসঙ্গ

সাংবাদিকদের দিকে তেড়ে গেলেন ছাত্রলীগ নেতারা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৮:৩৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুগ্রুপে পর পর দুদিন সংঘর্ষের পর গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ছাত্রলীগের একাংশের নেতারা। তারা চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের সর্বশেষ ঘোষিত কমিটি প্রত্যাখ্যান করে নতুন কমিটি দাবি করেন।

বুধবার পুলিশের সামনে কারা অস্ত্র উঁচিয়ে ভয় দেখিয়েছেন সংবাদ সম্মেলনে তাদের সম্পর্কে জানতে চান সাংবাদিকরা। এ সময় ছাত্রলীগের একাধিক সাবেক নেতা সাংবাদিকদের দিকে তেড়ে আসেন। এ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সংবাদ সম্মেলনের ইতি টানা হয়। প্রসঙ্গত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনকারীরা নগর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি দাবিদার মো. কায়সার উদ্দিন। তিনি নিজেকে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দাবি করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি নতুন কমিটির সভাপতি মাহমুদুল করিমের বিরুদ্ধে ইভটিজিং এবং সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিকের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যূতার অভিযোগ আনেন। বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দুরভিসন্ধিমূলকভাবে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মেয়াদোত্তীর্ণ চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাতের আঁধারে চট্টগ্রাম কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করেন।

বুধবার চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের দেওয়া মহড়ায় অস্ত্র হাতে অংশ নিয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা কামরুজ্জামান কমল।সাংবাদিকরা এমন তথ্য তুলে ধরে এ বিষয়ে জানতে চান। এ সময় সাংবাদিকদের দিকে তেড়ে আসেন ছাত্রলীগের একাধিক সাবেক নেতা। উপস্থিত কামরুজ্জামান কমলকে কেন এমন প্রশ্ন করা হলো, এর কৈফিয়ত চান তারা। অবশ্য কমল এর পর সাংবাদিকদের জানান, অস্ত্রের মহড়ায় তিনি ছিলেন না।আর অস্ত্রধারীদের প্রসঙ্গে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে কায়সার উদ্দিন জানান, অস্ত্রধারীরা ছিল অনুপ্রবেশকারী ও বহিরাগত।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সদস্য সুজয়মান বড়ুয়া জিতু, আবু সায়েম, মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি রেজাউল আলম রনি, মহিউদ্দিন মাহি, মোহাম্মদ শাকিল, মিথুন মল্লিক উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এই সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ বলেন, কমিটিতে স্থান না পেয়ে যারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, তারা এসব অভিযোগ করছেন। তারা কলেজে আসেন না, রাজনীতিও করেন না। এখন কেবল পদ চান।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে