sara

‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে ১৬ নভেম্বর

  নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে নির্মিত ডকুফিল্ম ‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ মুক্তি পাচ্ছে ১৬ নভেম্বর। ওইদিন রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স, মধুমিতা সিনেমা হল, ব্লকবাস্টার সিনেমাস ও চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে একযোগে মুক্তি পাবে ডকুফিল্মটি। এর এক দিন আগে ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে ৭০ মিনিট ব্যাপ্তির এই ডকুফিল্মটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জনানো হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ডকুফিল্মটির প্রযোজনা সংস্থা সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস, পরিচালক পিপলু খান এবং পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন ও শিবু কুমার শীল।

আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ও অ্যাপেলবক্স ফিল্মসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। সিআরআইয়ের পক্ষে ডকুফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন রেদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু। এর চিত্রগ্রহণ করেছেন সাদিক আহমেদ। সম্পাদনা করেছেন নবনীতা সেন এবং সংগীতায়োজনে সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র।

পরিচালক পিপলু খান বলেন, এই ডকুফিল্মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে উপস্থাপন করা হয়নি। এসবের বাইরেও তিনি একজন সাধারণ মানুষ, বঙ্গবন্ধুকন্যা সেটিকে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। এ কারণে শেখ হাসিনার চারপাশের মানুষগুলোও ছবিটিতে রয়েছেন চরিত্র হিসেবে।

কাজের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা পেয়েছেন উল্লেখ করে পিপলু খান বলেন, ১৪ পৃষ্ঠার একটি কনসেপ্ট পেপার ও কিছু সংগীতকে সঙ্গী করেই কাজটা শুরু করি। শেখ হাসিনাকে আমি যেভাবে দেখাতে চাই, সেভাবেই কাজটা করেছি। কোনো নিয়মনীতির ছক তৈরি করে দেননি তিনি। যেহেতু শেখ হাসিনা একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সে কারণে ইতিহাসের নানা ঘটনা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, ক্ষমতার পালাবদল, ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিসহ প্রতিটি বিষয়ে গবেষণা করতে হয়েছে। আশা করছি, ছবিটি সবার ভালো লাগবে। যারা শেখ হাসিনাকে ভালোবাসেন বা তাকে যারা ভালোবাসেন না তাদের প্রত্যেককে তিনি ছবিটি দেখার জন্য অনুরোধ করেন।

সাব্বির বিন শামস বলেন, আমরা একজন শেখ হাসিনাকে দেখতে পাই দেশের উন্নয়নের রূপকার হিসেবে, যিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলোকে সম্পন্ন করছেন। তার বাইরের একজন শেখ হাসিনা এ চলচ্চিত্রে উঠে এসেছেন।

গাউসুল আজম শাওন বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নির্মিত কোনো প্রামাণ্যচিত্র নয়। এটা বঙ্গবন্ধুকন্যার ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র যাতে পঁচাত্তরের আগে ও পরের শেখ হাসিনাকে সবাই জানতে পারবেন। ডকুফিল্মটিতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার আবেগঘন কণ্ঠ আর দৃশ্যায়নে ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে নৃশংস হত্যার পর বিষাদপূর্ণ সময় ও দুই বোনের নির্বাসিত জীবনসংগ্রামের চিত্র।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে