স্বৈরাচার পতন দিবস আজ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আজ ৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস। ১৯৯০ সালের এই দিনে প্রবল গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পদত্যাগে বাধ্য হন। এর মধ্য দিয়ে এরশাদের ৯ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে এবং দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে। দিবসটি স্মরণে দেওয়া এক বাণীতে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আসুন গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি। গণতন্ত্র মুক্তি দিবসে এই হোক আমাদের দৃঢ়অঙ্গীকার।’ তিনি বলেন,

আওয়ামী লীগ নব্বইপরবর্তী দুই দশকে গণতন্ত্র, ভোট ও ভাতের অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বৈরাচারী শাসন উৎখাত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোট ও মৌলিক অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘ সংগ্রাম করি। এ আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়। নূর হোসেন, বাবুল, ফাত্তাহ, ডা. মিলনসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষ আত্মাহুতি দেন। স্বৈরাচারী শাসক গণআন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হয়। শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় গণতন্ত্র।

একই বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছিল গণতন্ত্রের পথচলা। শুরু হয় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা। এই দিনে গণতন্ত্রের দুশমনরা পরাজিত হলেও আজও তারা চুপ করে বসে নেই। আমাদের গণতন্ত্র আজও নামে-বেনামে একদলীয় ফ্যাসিবাদের আক্রমণে আক্রান্ত। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তাদের সে আয়োজন নস্যাৎ করে দিতে হবে। স্বৈরাচার পতন দিবসে এটাই হোক আমাদের দৃপ্তশপথ।

এদিকে দিনটিকে ‘সংবিধান সংরক্ষণ’ দিবস হিসেবে পালন করবে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি। এ উপলক্ষে আজ বেলা ১১টায় বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন পার্টির কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করবেন পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে