ইশতেহার : জ্বালানি খাতে প্রয়োজন

জ্বালানি অধিকার সুরক্ষা চাই

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা ড. এম শামসুল আলম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে মানুষের জ্বালানির অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিতের বিষয়টি থাকা উচিতÑ দফায় দফায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির মূল্য না বাড়িয়ে টেকসই জ্বালানির অনুসন্ধান করা; সব ধরনের অযৌক্তিক ব্যয় ও ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা। কারণ অযৌক্তিক ব্যয়বৃৃদ্ধির কারণেই জ্বালানির দাম বাড়ে। তিনি বলেন, সবার জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে অফগ্রিড এলাকায় সরকারি অনুদানে সোলার মিনি,

মাইক্রো

ও ন্যানো গ্রিড বিদ্যুৎ ও সোলার ব্যাটারি বিদ্যুৎ কম মূল্যে দিতে হবে। গ্রিড বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেল সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্রিড সম্প্রসারণ করা এবং গ্রামীণ জনপদে গুণগত বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়া। শিল্পে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য করমুক্ত সুবিধাসহ আর্থিক প্রণোদনা দিতে হবে।

ড. শামসুল আলম বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে আইওসির সমতুল্য সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশি কোম্পানি বাপেক্স, বাংলাদেশ গ্যাসফিল্ড কোম্পানি ও সিলেট গ্যাসফিল্ড কোম্পানি একীভূত করে একটি জাতীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন কোম্পানি গঠন করতে হবে। স্থলভাগের সব গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনের দায়িত্ব এককভাবে এই কোম্পানির ওপর ন্যস্ত করতে হবে। কয়লা অনুসন্ধান ও উত্তোলনে অনুরূপ জাতীয় কোম্পানি গঠন করতে হবে। নিয়োগবাণিজ্য ও দুর্নীতি রোধে এ খাতের সব পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন এবং লোকবল নিয়োগ ও পদোন্নতি কেন্দ্রীয়ভাবে পৃথক সংস্থা/কর্তৃপক্ষ দ্বারা হতে হবে। এ খাতের কর-কাঠামো সংস্কার করতে হবে। উন্নয়নে বাজেট বৃদ্ধিই একমাত্র লক্ষ্য নয়, অর্থ অপচয় ও দুর্নীতি রোধ করতে হবে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ঋণ নয়, ব্যয় নয়, অনুদান হিসেবে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং স্থলভাগ ও সাগরের গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ হতে হবে। জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলের অর্থ অনুদান হিসেবে কেবল এলএনজি আমদানিতে বিনিয়োগ হতে হবে। এলএনজি তরল জ্বালানির বিকল্প হতে হবে এবং স্থল ও সাগরের গ্যাস আবিষ্কার করে গ্যাসের মজুদ বাড়াতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হতে হবে।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে