কালিহাতী উপনির্বাচন

আ.লীগ প্রার্থী হাসান ইমাম জয়ী

প্রকাশ | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ০০:০০

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে গতকাল বুধবার এক প্রকার নিরুত্তাপ

উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছে। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইমরুল কায়েস ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বয়কট করেছেন। আরেক প্রার্থী বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট বিএনএফের আতাউর রহমান খানকে নির্বাচনে দেখা যায়নি। এ ছাড়া একটি কেন্দ্রে স্থগিত হয়েছে।

বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিজয়ী হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী পেয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৪৭ ভোট। আর ইমরুল কয়েস ১ হাজার ৬৯৬ ও আতাউর রহমান খান পেয়েছেন ১ হাজার ৩২০ ভোট। ভোট গ্রহণের হার ৬৪ দশমিক ৩৪ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা।

সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সকালে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। সকাল থেকেই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট প্রদান করেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী সোহেল হাজারী তার কেন্দ্রে পাইকড়া ইউনিয়নের ছাতিহাটীতে ভোট প্রদান করেন।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী আমাদের সময়কে বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করেছে। এ বিজয় জননেত্রী শেখ হাসিনার এবং কালিহাতীবাসীর। দীর্ঘদিন কালিহাতী এমপিশূন্য ছিল। অনেক কিছু থেকেই কালিহাতীবাসী বঞ্চিত ছিলেন। আমি নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে কালিহাতীতে একটি আধুনিক, উন্নত এবং ডিজিটাল উপজেলায় গড়ে তুলব।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও কালিহাতী উপজেলা নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগে গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের বল্লভবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র সকাল সাড়ে দশটায় স্থগিত করা হয়। শুনেছি এনপিপির প্রার্থী ইমরুল কায়েস জেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে লিখিতভাবে ভোট বর্জন করেছেন।

 

 

"