সুন্নি কনফারেন্সে সূফী মিজানুর রহমান

হজরত ইমাম আহমদ দর্শন নিয়ে ব্যাপক গবেষণা প্রয়োজন

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

২২ নভেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

১৮৫৬ সালে ইসলামের ক্রান্তিকালে মুসলিমদের পথ দেখিয়ে ছিলেন আ’লা হজরত ইমাম আহমদ (র.)। তিনি কুরআন, হাদিস, তাফসির, ফিকহ শাস্ত্র, ধর্মতত্ত্ব, সূফীতত্ত্ব¡, ভাষাতত্ত্ব¡, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিনি সুন্নি ঐক্যের প্রতীক, সুন্নিয়াতভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্র্রষ্টা। মুসলিম উম্মাহর এ ক্রান্তিকালে সংকট উত্তরণে তার জীবন-দর্শনের যথার্থ অনুসরণ জাতিকে সঠিক পথের দিশা দেবে। হিজরি চতুর্দশ শতাব্দীর মহান সংস্কারক আ’লা হজরত ইমাম আহমদ রেযা (র.)-এর ৯৯তম ওফাত বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে গত রবিবার বিকালে আ’লা হজরত কনফারেন্সে এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ সূফী তাত্ত্বিক গবেষক, পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আ’লা হজরত ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ সূফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এই কথা বলেন। চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউটে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

মিজানুর রহমান বলেন, হানাফি মাযহাবের ওপর লিখিত আ’লা হজরত ইমাম আহমদ রেযার ত্রিশ খ-ের পঁচিশ পৃষ্ঠাসংবলিত বিশাল ফতওয়া গ্রন্থ ‘ফাতওয়ায়ে রেজভীয়াহ’ ইসলামের শ্রেষ্ঠত্বের এক প্রামাণ্য দলিল। ইসলামের মূলস্রোত সুন্নি দর্শনকে নিয়েই তার জ্ঞান গবেষণার জগৎ বিনির্মিত। হুব্বে রাসুল তথা নবী প্রেমই ছিল তার জীবন সাধনার মূল উপজীব্য।

কনফারেন্স উদ্বোধন করেন পীরে তরিকত শাহসূফী সৈয়্যদ মুহাম্মদ বদরুদ্দোজা বারী। ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ বদিউল আলম রেজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে প্রধান আলোচক ছিলেন আনজুমান রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক ও আ’লা হজরত গবেষক আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল নোমানী ও মুহাম্মদ এরশাদ খতিবি।

কনফারেন্সে পীরে তরিকত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ইলিয়াছ রেজভীকে আ’লা হজরত সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন যথাক্রমে শায়খুল হাদিস মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রধান সমন্বয়ক মাওলানা এম.এ. মতিন, অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়্যদ মুহাম্মদ অসিয়র রহমান।

আলোচনা শেষে রেজভীয়া নূরীয়া ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম, তৈয়্যবিয়া সাংস্কৃতিক ফোরাম ও আল হাস্সান ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের নাত শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ মোশায়েরা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে কেরাত, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা ও আ’লা হজরত (র.)-এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় ৩৩ জন বেজভীয়াকে ক্রেস্ট, মূল্যবান গ্রন্থাবলি ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে