বিমানের সেই ডিজিএম ফের দায়িত্বে

  গোলাম সাত্তার রনি

২১ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তদন্ত কমিটি দোষী সাব্যস্ত করলেও গ্রাউন্ডেড হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আলোচিত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান রঞ্জুকে কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী উড়োজাহাজের কেবিন ক্রুর মাদক সেবনের ঘটনা গোপন রাখার দায়ে তাকে গ্রাউন্ডেড করা হয়েছিল। এর ২০ দিন পর তাকে পুনর্বহাল করে বিমান। আগে তিনি বিমানের কাস্টমার সার্ভিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম-ভারপ্রাপ্ত)

হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমানে তাকে ম্যানেজার হিসেবে একই শাখায় পদায়ন করা হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) নির্দেশে গত ১১ অক্টোবর নুরুজ্জামান রঞ্জুকে কর্মস্থলে পুনর্বহাল করা হয়।

মাদক সেবনে অভিযুক্ত বিমানের কেবিন ক্রু সৈয়দা মাসুদা মুফতিকে বরখাস্ত করার আদেশ এখনো বহাল রয়েছে। ওই বিমানবালার মাদক গ্রহণের তথ্য গোপন করায় দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা ফ্লাইট অপারেশন পরিচালক ও পাইলট ফারাহাত জামিলও রয়েছেন আগের অবস্থায়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট বিজি-০০১ টেকঅফের তিন ঘণ্টা আগে কেবিন ক্রুদের ডোপ টেস্ট করা হয়। ১৮ কেবিন ক্রুর মধ্যে একমাত্র মাসুদা মুফতির শরীরেই অ্যালকোহলের অস্তিত্ব পান চিকিৎসক।

জানা গেছে, ওই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান কাস্টমার সার্ভিসের ডিজিএম নুরুজ্জামান রঞ্জু। পরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস গঠিত তদন্ত কমিটিও তাদের প্রাথমিক তদন্তে নুরুজ্জামান রঞ্জুর দায় খুঁজে পায়। কেবিন ক্রুর মাদক সেবনের সেই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছিল সংশ্লিষ্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধেও। বিষয়টি জানাজানি হলে ও মন্ত্রণালয় পর্যন্ত গড়ালে কেবিন ক্রু সৈয়দা মাসুমা মুফতিকে বরখাস্ত এবং ডিজিএম নুরুজ্জামান রঞ্জুকে গ্রাউন্ডেড করা হয়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রশাসন) পার্থ কুমার প-িত আমাদের সময়কে বলেন, ডিজিএম নুরুজ্জামান রঞ্জুকে কাস্টমার সার্ভিসের ম্যানেজার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে চাননি তিনি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে