দায়িত্ব গ্রহণের সপ্তাহান্তেই নির্বাচন করতে হবে নতুন ইসিকে

  আসাদুর রহমান

১২ জানুয়ারি ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দায়িত্বগ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভায় নির্বাচন করতে হবে নতুন নির্বাচন কমিশনকে। এটি নতুন কমিশনের প্রথম চ্যালেঞ্জ। কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন শুধু তফসিল ঘোষণা করে বিদায় নিচ্ছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মেয়াদ শেষ হচ্ছে বর্তমান কমিশনের।

গত ৮ জানুয়ারি বাঘাইছড়ি পৌরসভায় নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। ভোটগ্রহণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি। নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণ করবে ৯ কিংবা ১০ ফেব্রুয়ারি। দায়িত্বগ্রহণের ৭ দিনের মাথায় পার্বত্য অঞ্চলের এ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ করতে হবে। এটি নতুন কমিশনের প্রথম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমান কমিশন বিদায়ের আগে আর কোনো নির্বাচন করতে চায় না। গত বছর ছয় ধাপে দেশের ৪ হাজার ৫৫৫ ইউপির মধ্যে ৪ হাজার ২৭২ ইউপিতে তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে সময় নির্বাচন হয়নি তিন শতাধিক ইউপিতে। সেগুলোর মধ্য থেকে বর্তমানে নির্বাচন করা যায় এমন ১০০ ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। এসব ইউপিতে নির্বাচন করতে চেয়েছিল ইসি সচিবালয়। এ বিষয়ে একটি ফাইল উত্থাপিত হলে তাতে সায় দেয়নি কমিশন। একজন কমিশনার নির্বাচন করার পক্ষে মত দিলেও বাকিরা তাতে দ্বিমত পোষণ করেন। নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্র্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার তকমা নিয়েই বিদায় নিতে চায় বর্তমান কমিশন।

কর্মকর্তাদের মত উপেক্ষা করে নতুন ভবনে স্থানান্তর

স্বাধীনতার পর এই প্রথম নিজস্ব ভবন পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই ভবন নির্মিত হওয়ার সময়সীমা চলতি বছর জুন মাস। কিন্তু বর্তমান কমিশনের তাড়াহুড়োর কারণে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬ মাস আগেই ‘নির্বাচন ভবন’-এর কাজ শেষ করতে হয়েছে। ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও তাড়াহুড়ো করে স্থানান্তরিত হওয়ার বিরোধিতা করলেও তাতে গুরুত্ব দেয়নি নির্বাচন কমিশন।

গত ৩ জানুয়ারি ইসি সচিবালয়ে অফিস স্থানান্তর বিষয়ক এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সচিবালয়ের ডেটা সেন্টার স্থানান্তর করা না গেলে মাঠ পর্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

নির্বাচন ভবন প্রকল্পের পরিচালক বলেন, আমরা দিন-রাত কাজ করে অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা চালাচ্ছি, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অফিস স্থানান্তর করা যায়। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগে মালামাল স্থানান্তর করলে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মতো সমস্যায় পড়তে হবে, যা আমরা চাই না।

আগামী ২২ জানুয়ারি নতুন ভবনে অফিস করতে চায় বর্তমান ইসি।

 

 

"

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে