• অারও

হাজীগঞ্জে কোল্ড স্টোর থেকে আলু বের করছেন না কৃষকরা

  অমর দাস, হাজীগঞ্জ

১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উৎপাদিত আলু নিয়ে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকরা। অবিরাম বর্ষণে ক্ষেতের আলু নিয়ে এক দফা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা। এবার আলুর মূল্য না পাওয়ায় কোল্ড স্টোর থেকে আলু নিচ্ছে না কৃষকরা। অন্যদিকে নতুন করে আলু চাষের জমিও প্রস্তুত হয়নি।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ মান্নান কোল্ড স্টোর কর্তৃপক্ষ ভাড়া না কমানোর কারণে কৃষকরা কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু বের করতে পারছে না। কারণ হিসেবে জানা যায়, আলুর বাজার দর থেকে মান্নান কোল্ড স্টোরের ভাড়া প্রায় বস্তাপ্রতি ১শ টাকা বেশি। ফলে কয়েক হাজার বস্তা আলু নষ্ট হওয়ার পথে।

হাজীগঞ্জের কৃষকরা জানান, বাজারে প্রতি বস্তা আলু (৮০ কেজি) ৩০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর কোল্ড স্টোরে রাখলে লেবার ও গাড়ি ভাড়াসহ বস্তাপ্রতি প্রায় ৪শ টাকা খরচ পড়ে। সেজন্যই তারা কোল্ড স্টোর থেকে আলু বের করনে না। এ ছাড়া কোল্ড স্টোরে রাখা আলু প্রতিবস্তায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ কেজি কম। এর কারণÑ এ কোন্ড স্টোরে ধারণক্ষমতা ৬০ হাজার বস্তা। কিন্তু ধারণক্ষমতার চেয়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার বস্তা আলু বেশি রাখার কারণে বস্তার ওজন কমে যায়। মান্নান কোল্ড স্টোরের ম্যানেজার দিলিপ সাহা জানান, জেলার অন্যান্য কোন্ড স্টোর থেকে আমাদের কোন্ড স্টোরের ভাড়া অনেকটাই কম। বাজারে আলুর দাম কমে যাওয়ার কারণে কৃষকরা আলু বের করছেন না। কৃষকরা আলু না নিলে আমরা যতটুকু পারি বিক্রি করে দেব। এ ছাড়া এ বছর আমাদের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। এর কারণ কৃষকরা আমাদের কাছ থেকে যে ঋণ নিয়েছে তা পরিশোধ করতে পারছে না। হাজীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ম মনি সূত্রধর জানান, এবার অধিক বৃষ্টির কারণে সকল ফসল রোপণ ও কর্তন পিছিয়ে পড়ছে। কৃষক আগেভাগে আলু এনে কী করবে। বাজারমূল্য কম থাকায় খাবার আলু কোল্ড স্টোরেজ থেকে তারা মার্কেটিংয়ের জন্য হয়তো সংগ্রহ করছে না।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে