ইনকিউবিটরে তৈরি হচ্ছে ‘পল্লী দই’

  প্রদীপ মোহন্ত, বগুড়া

১৪ জুন ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৪ জুন ২০১৮, ০০:২৩ | প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী দই তৈরির তালিকায় এবার নাম লিখিয়েছে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)। একাডেমির কৃষিবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে ইনকিউবিটরে দই জমানোর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত দই উৎপাদন শুরু হয়েছে। এতে দই তৈরিতে মানুষের হাতের স্পর্শ লাগছে না। পুরো প্রক্রিয়াই মেশিনে সম্পন্ন হচ্ছে। এ দইয়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘পল্লী দই’।

জনগণের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে পরিমিত মিষ্টি, সুস্বাদু ও দামে সস্তার কারণে বাজারের অন্যান্য দইয়ের তুলনায় পল্লী দইয়ের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ অঞ্চলের তুলনায় এ দই বেশি বিক্রি হয় ঢাকাতে। এ জন্য ঢাকায় পল্লী দই তৈরির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অচিরেই ঢাকাতেও তৈরি করা হবে পল্লী দই। বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সংরক্ষণ ও বাজারজাত করার জন্য একটি নতুন ইউনিট চালু করে একাডেমি। সেই ইউনিটে দই ছাড়াও প্রায় ৪০ প্রকার কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ইউনিটের (ফার্ম টেকনোলজি) সহকারী পরিচালক আবদুল আলিম জানান, কৃষকদের খামারে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের সময়োপযোগী প্রক্রিয়াজাতকরণ, সঠিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে একাডেমির এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচি। রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর বিডি গার্ডেনার্স লিমিটেড ও ইস্কাটনের ফ্যান্টাসিয়া নামের দুটি প্রতিষ্ঠান ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পল্লী দই সরবরাহ করে থাকে। বিডি গার্ডেনার্স লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম বলেন, পল্লী দই ধীরে ধীরে ঢাকার বাজারে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ঢাকার ইস্কাটনের ফ্যান্টাসিয়া শো-রুমের মালিক কামরুজ্জামান বলেন, মাঝে মধ্যেই চাহিদার তুলনায় পল্লী দই সরবরাহ করা যাচ্ছে না। কারণ বগুড়া থেকে দই আনতে অনেক সময় লেগে যায়। ঢাকাতেই পল্লী দইয়ের একটি ইউনিট স্থাপন করলে সুবিধা হতো। পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালকের কাছে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

 

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে