পেকুয়ায় দখলে-ভরাটে খাল মৃতপ্রায়

  মুকুল কান্তি দাশ, চকরিয়া

১২ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কহলখালী খালের পাড় ও ভরাট অংশ দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। ময়লা-আবর্জনা ফেলায় খাল ভরাট হয়ে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে পানি প্রবাহে। দূষণ হচ্ছে পরিবেশ। এতে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে খালটি।

সরেজমিন দেখা যায়, পেকুয়া উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কবির আহমদ চৌধুরী বাজার লাগোয়া কহলখালী খালের পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। তৈরি করা হচ্ছে ইমারত, বাড়ি ও দোকানপাট।

স্থানীয় লোকজন জানান, নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে খালটির পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। অথচ বোরো মৌসুমে এই খালের পানির ওপর নির্ভর করে অন্তত ৪০০ একর জমির চাষ।

পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহাজাহান ও আনছার উদ্দিন বলেন, খালটি ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়ায় বিগত কয়েকটি বর্ষায় পেকুয়া সদরে বন্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া বাজারের আবর্জনায় খালের পানি দূষিত হয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।

কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী মো. রিদুয়ান ও এনামুল করিম জানান, কহলখালী খাল দখল করে গড়ে তোলা বহুতল ভবন উচ্ছেদ না করলে, খনন করে কোনো লাভ হবে না।

পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ বলেন, তিন বছর আগে কহলখালী খাল খনন করা হয়েছিল। কিন্তু অবৈধ দখলবাজরা অভিনব পন্থায় এ খাল দখল প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবউল করিম বলেন, নকশা দেখে শিগগিরই কহলখালী খাল পরিমাপ করা হবে। অবৈধ দখলদারদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে