আজ তফসিল ঘোষণায় সমর্থন আওয়ামী লীগের

সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছে আওয়ামী লীগ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:৪৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত দিনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় সমর্থন জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গতকাল বুধবার বিকালে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদাসহ সব নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচটি ইমামের নেতৃত্বাধীন ১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

এ সময় তারা কমিশন নির্ধারিত দিনেই তফসিল ঘোষণার পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানায়। বৈঠকের শুরুতে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে সিইসি নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় কোনো বিষয়ে যদি আপনাদের পরামর্শ থাকে আপনারা দিতে পারেন। আপনাদের কোনো কথাও যদি আমাদের কাজে লাগে, সেটাও আমরা বলব।

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচটি ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, তফসিলের বিষয়ে ইসি যে সিদ্ধান্ত নেবে তার প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। নির্বাচন কবে, কখন হবে, তা ইসি নির্ধারণ করবে। বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার কথা ইসির, তাতে সরকারের পক্ষ থেকেও সমর্থন রয়েছে। ইসি স্বাধীন, সাংবিধানিক ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। আমরা তফসিল আগানো বা পেছানোর কথা বলিনি। যখনই কমিশন তফসিল দেবে, তাতে আমরা সহযোগিতা করে যাব।

সম্প্রতি কয়েকটি দলের সঙ্গে ইসির সংলাপের বিষয়টি নিয়ে এইচটি ইমাম বলেন, এসব সংলাপ ফলপ্রসূ হয়েছে। কিন্তু জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এর ব্যতিক্রম। তাদের সঙ্গে থাকা অনিবন্ধিত একটি দলের নেতা ইসির সঙ্গে সংলাপে অমার্জিত ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তর্জনী তুলে ভয়ভীতি দেখিয়েছেন। এ ধরনের আচরণ অমার্জনীয়। দেশের মানুষ তা সহ্য করবে না। জনগণ এর জবাব দেবে ভোটের মাধ্যমে। অনিবন্ধিত দলের সঙ্গে বৈঠক না করতে ইসির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তফসিল না পেছালে ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলনের হুশিয়ারি বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে সেনা মোতায়েন নিয়ে আলোচনা হয়নি। তবে অতীতে যেভাবে সেনা মোতায়েন হয়েছে, এবারও সেভাবেই রাখার পক্ষে মত আওয়ামী লীগের। আমরা সেনা মোতায়েনের বিপক্ষে নই। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে তাদের নিয়োজিত করবেন। এ ছাড়া ভোটারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে নির্বাচনে সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে