‘মান’ ভাঙাতে ওহাবের বাসায় প্রার্থী রণজিত

যশোর-৫

  উত্তম ঘোষ, যশোর

১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:৫৫ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিগত পাঁচটি বছর নানান ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে চলছে যশোর-৫ (অভয়নগর ও বাঘারপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি। মনোনয়ন পাওয়া-না পাওয়া, আর ক্ষোভ-অভিমানে একমঞ্চে তো দূরের কথা, নেতাদের মধ্যে মুখ দেখাদেখিও ছিল না। এ ছাড়াও কিছু কিছু সময় ঘোলাটে রাজনীতি নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তপ্ত পরিস্থিতিও সৃষ্টি করেছে।

এমনকি, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রণজিত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে ভোটের লড়াই করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক হুইপ অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাব।

দীর্ঘদিনের মান-অভিমানের অবসান ঘটাতে গতকাল সকালে এ আসনে তৃতীয় বারের মতো নৌকার প্রার্থী রণজিত কুমার রায় হাজির হন দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাবের অভয়নগর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সিঙ্গাড়ি গ্রামের বাসভবনে। এ ছাড়াও রণজিত মান অভিমানে দূরে থাকা অন্য নেতাদের বাড়িতে গিয়েও নৌকার বিজয়ে মাঠে নামার জন্য অনুরোধ জানান।

এ সময় রণজিত কুমার রায় বলেন, নৌকা প্রতীক শেখ হাসিনার পাঠানো আমানত, এটা নিশ্চয়ই আমার ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। ফলে সব ভেদাভেদ ভুলে নৌকাকে জয়ী করে আগামী দিনেও একসঙ্গে দল ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। রণজিতের সঙ্গে একমত পোষণ করে চলতি সপ্তাহেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে তার সব নেতাকর্মী নিয়ে নৌকার বিজয়ে মাঠে নামার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শেখ আব্দুল ওহাব।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন যশোর-৬ (অভয়নগর ও কেশবপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদে হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাব। ওই নির্বাচনে যশোর-৫ (বাঘারপাড়া) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন রণজিত কুমার রায়। তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যশোর-৬ আসন থেকে অভয়নগর উপজেলাকে বাদ দিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে যশোর-৫ (বাঘারপাড়া) আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এতে এমপি রণজিত কুমার রায় ও অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাবের মধ্যে সৃষ্টি হয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রতিযোগিতা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে