ইভিএম, ভোট গণনার ধাপ ও ফলের প্রস্তুতি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী রবিবার। ওই দিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ। এর পর শুরু হবে ভোট গণনা। গণনা শেষে প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের ফল জানা যাবে। এবারই প্রথম ৬টি আসনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন থেকে প্রকাশিত ম্যানুয়াল থেকে ভোট গণনা ও ফলাফলের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানা যায়, প্রিজাইডিং অফিসারের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ শেষেই শুরু হবে গণনা প্রক্রিয়া। ভোট কেন্দ্রের ভেতরেই উপস্থিত প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট, পোলিং এজেন্টদের সামনেই ভোট গুনতে হবে এবং গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপস্থিত কোনো ব্যক্তি গণনাকক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না।

ইভিএমের পরিচিতি এবং পরিচালনা পদ্ধতি অনুযায়ী কন্ট্রোল ইউনিটের ডানদিকে নিচের মুদ্রণ বাটনের মাধ্যমে কেন্দ্রের সামষ্টিক ফলাফল মুদ্রণ করবেন। মুদ্রণকৃত ফলাফলের কপিতে প্রিজাইডিং অফিসার স্বাক্ষর করবেন এবং পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেবেন। কেউ স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে তা লিপিবদ্ধ করা হবে। মুদ্রিত সামষ্টিক ফলাফল ভোট গণনার বিবরণীর ফরম-১৬ এর সঙ্গে দেওয়ার জন্য মোট পাঁচটি কপি মুদ্রণ করবেন। এর মধ্যে দুই কপি সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে হস্তান্তর করতে, এক কপি ভোটকেন্দ্র থেকে বিশেষ খামে ডাকযোগে সরাসরি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রেরণের জন্য, একটি কপি অফিস কপি হিসেবে নিজের কাছে রাখার জন্য, একটি কপি প্যাকেট ১৪-এ সিলগালা করে অন্যান্য মালামালের সঙ্গে ব্যাগে ভরে জমা দেওয়ার জন্য মুদ্রণ করা হবে।

ইভিএমের মুদ্রিত কেন্দ্রের ফলাফল থেকে কোনো প্রার্থী কতো ভোট পেয়েছেন- তা উল্লেখ করে ভোট গণনার বিবরণীর নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর করে তার নাম-পদবিসহ সিল প্রদান করবেন। ফরম-১৬ (ভোট গণনার বিবরণী) কম্পিউটারে কম্পোজ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম ও প্রতীকসহ প্রস্তুত করে নির্ধারিতসংখ্যক কপি প্রিজাইডিং অফিসারকে সরবরাহ করা হবে। ভোট গণনার বিবরণী ছাড়া অন্যান্য বিবরণী বা লেখায় ছোটখাটো দু-একটি ক্ষেত্রে ভুলত্রুটি একটানে কেটে অণুস্বাক্ষর করে সংশোধন গ্রহণযোগ্য হতে পারে, তবে ভোট গণনার বিবরণীতে বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অনুকূলে প্রদত্ত ভোট সংখ্যায় কোনো কাটাকাটি গ্রহণযোগ্য হবে না।

প্রিজাইডিং অফিসারকে পদভিত্তিক ভোট গণনার বিবরণীর (ফরম-১৬) অতিরিক্তসংখ্যক কপি করতে হবে এবং তা থেকে প্রত্যেকটির দুটি করে কপি সহকারী রিটার্নিং অফিসার/ রিটার্নিং অফিসারের কাছে হস্তান্তর করার জন্য প্রস্তত করবেন, ভোট গণনার বিবরণীর এক কপি অবশ্যই ভোটকেন্দ্রের প্রকাশ্য কোনো স্থানে টাঙ্গিয়ে দেবেন, ভোট গণনার এক কপি ভোটকেন্দ্র থেকে বিশেষ খামে ডাকযোগে সরাসরি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে, এক কপি অফিস কপি হিসেবে প্রিজাইডিং অফিসার নিজের কাছে রাখবেন, একটি কপি প্যাকেট ১৪-এ সিলগালা করে অন্যান্য মালামালের সঙ্গে ব্যাগে ভরে জমা দেবেন এবং প্রিজাইডিং অফিসার প্রয়োজনানুসারে উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা নির্বাচনী এজেন্ট বা পোলিং এজেন্টকে ভোট গণনার বিবরণী প্রদান করবেন।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে