একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত ফল

  অনলাইন ডেস্ক

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১১:৩১ | প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুর বিভাগ : 
পঞ্চগড়-১ মজাহারুল হক প্রধান (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৮ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির সানি (ধানের শীষ) ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৯ ভোট। পঞ্চগড়-২ অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন (নৌকা) ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯৪ ভোট, বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ ভোট। 
ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন (নৌকা) ২ লাখ ২৫ হাজার ৭৯৫ ভোট, নিকটতম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ) ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৭ ভোট। ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৭ ভোট, নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের আব্দুল হাকিম (ধানের শীষ) ১৫ হাজার ৬৩৮ ভোট। ঠাকুরগাঁও-৩ বিএনপির জাহিদুর রহমান (ধানের শীষ) ৮৭ হাজার ১৬৫ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইমদাদুল হক (মটর গাড়ি) ৮৪ হাজার ১০৯ ভোট।
দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল (নৌকা) ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ হানিফ (ধানের শীষ) ৭৮ হাজার ৯২৭ ভোট। দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সাদিক রিয়াজ পিনাক (ধানের শীষ) ৪৮ হাজার ৮৬৮ ভোট। দিনাজপুর-৩ মহাজোটের ইকবালুর রহিম (নৌকা) ২ লাখ ৩০ হাজার ৯৬৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খাইরুজ্জামান (হাতপাখা) ৩৯ হাজার ৭১২ ভোট। দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী (নৌকা) ২ লাখ ৩১ হাজার ৬১৭ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আকতারুজ্জামান মিয়া (ধানের শীষ) ৬১ হাজার ২১১ ভোট। দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (নৌকা) ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫৮ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী রেজওয়ানুল হক (ধানের শীষ) ১ লাখ ২৯ হাজার ১৯৯ ভোট। দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক (নৌকা) ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৯১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৭৯ হাজার ৭৭৯ ভোট। 
নীলফামারী-১ আফতাব উদ্দিন সরকার (নৌকা) ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রফিকুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৮৮ হাজার ৭৯১ ভোট। নীলফামারী-২ সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (নৌকা) ১ লাখ ৭৮ হাজার ৩০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মনিরুজ্জামান মন্টু (ধানের শীষ) ৮০ হাজার ২৮৩ ভোট। নীলফমারী-৩ মেজর (অব) রানা মোহাম্মদ সোহেল (লাঙল) ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩৮ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা আজিজুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৪৪ হাজার ৯৩ ভোট। নীলফামারী-৪ আহসান আদেলুর রহমান আদেল (লাঙল) ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৩০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা) ২৭ হাজার ২৯৪ ভোট। 
লালমনিরহাটÑ১ মোতাহার হোসেন (নৌকা) ২ লাখ ৬৪ হাজার ১১২ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান (ধানের শীষ) ১১ হাজার ৩ ভোট। লালমনিরহাটÑ২ নুরুজ্জামান আহমেদ (নৌকা) ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট, রুকন উদ্দিন বাবুল (ধানের শীষ) ৭৩ হাজার ৫৩৩ ভোট। লালমনিরহাটÑ৩ জিএম কাদের (লাঙল) ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩২ ভোট, আসাদুল হাবিব দুলু (ধানের শীষ) ৮৯ হাজার ১১৯ ভোট। 
রংপুর-১ মসিউর রহমান রাঙ্গা (লাঙ্গল) ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯১৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রহমতউল্লাহ (ধানের শীষ) ১৮ হাজার ৯৫৪ ভোট। রংপুর-২ আহসানুল হক ডিউক (নৌকা) ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৭ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলী সরকার (ধানের শীষ) ৫২ হাজার ৮২৫ ভোট। রংপুর-৩ এইচএম এরশাদ (লাঙ্গল) ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিটা রহমান (ধানের শীষ) ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট। রংপুর-৪ টিপু মুন্সি (নৌকা) ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৩ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ) ১ লাখ ৪ হাজার ভোট। রংপুর-৫ এইচএন আশিকুর রহমান (নৌকা) ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৪০ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ সোলায়মান ফকির (ধানের শীষ) ৬৩ হাজার ৪৬৯ ভোট। রংপুর-৬ স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ¦ী সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ) ২৪ হাজার ৫৩ ভোট। 
কুড়িগ্রাম-১ আসলাম হোসেন সওদাগর (নৌকা) ১ লাখ ২৩ হাজার ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সাইফুর রহমান রানা (ধানের শীষ) ১ লাখ ১৭ হাজার ভোট। কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহম্মেদ (লাঙ্গল) ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৪৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমছা আমিন (ধানের শীষ) ১ লাখ ৭ হাজার ৪৯৬ ভোট। কুড়িগ্রাম-৩ এমএ মতিন (নৌকা) ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৪ ভোট, তাজভীরুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৬৯ হাজার ২৮৫ ভোট। কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন (নৌকা) ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) ৫৫ হাজার ১৮৯ ভোট।
গাইবান্ধা-১ শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাজেদুর রহমান (ধানের শীষ) ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট। গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি (নৌকা) একটি কেন্দ্র বাদে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৪৬ ভোট, তার নিকটতম আব্দুর রশিদ সরকার (ধানের শীষ) ৬৭ হাজার ৯৫৮ ভোট। গাইবান্ধা-৪ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী (নৌকা) ৩ লাখ ৮৬০ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মশিউর রহমান (লাঙ্গল) ৫ হাজার ৭১৭ ভোট। গাইবান্ধা-৫ মো. ফজলে রাব্বী মিয়া (নৌকা) ১২২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৮টির ফলে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩০৯ ভোট, তার নিকটতম ফারুক আলম সরকার (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ১৯ ভোট। 

রাজশাহী বিভাগ : 
জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু (নৌকা) ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৮২ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলেয়া বেগম ৮৪ হাজার ২১২ ভোট। জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (নৌকা) ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৩০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু ইউসুফ মো. খলীলুর রহমান (ধানের শীষ) ২৬ হাজার ১২০ ভোট।
বগুড়া-১ আবদুল মান্নান (নৌকা) ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাজী রফিকুল ইসলাম (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৬৯০ ভোট। বগুড়া-২ জিন্নাহ (লাঙ্গল) ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৫ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না (ধানের শীষ) ৬৯ হাজার ৬০২ ভোট। বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার (লাঙল) ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদ মমিন (ধানের শীষ) ৫৮ হাজার ৫৮১ ভোট। বগুড়া-৪ মশাররফ হোসেন (ধানের শীষ) ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২২ ভোট, তার নিকটতম রেজাউল করীম তানসেন (নৌকা) ৮৪ হাজার ৬৮৯ ভোট। বগুড়া-৫ হাবিবর রহমান (নৌকা) ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮১৩ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (ধানের শীষ) ৪৭ হাজার ৪০১ ভোট। বগুড়া-৬ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ) ২ লাখ ৬ হাজার ৯৮৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল ইসলাম ওমর (লাঙ্গল) ৩৯ হাজার ৯৬১ ভোট। বগুড়া-৭ বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করীম বাবলু (ট্রাক) ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৬ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস আরা খান (ডাব) ৫৭ হাজার ভোট। 
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল (নৌকা) ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাজাহান মিয়া (ধানের শীষ) ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আমিনুল ইসলাম (ধানের শীষ) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিয়াউর রহমান (নৌকা) ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ হারুনুর রশীদ (ধানের শীষ) ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল অদুদ (নৌকা) ৮৫ হাজার ৯৩৮ ভোট।
নওগাঁ-১ সাধনচন্দ্র মজুমদার (নৌকা) ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাফিজুর রহমান (ধানের শীষ) ১ লাখ ৪০ হাজার ৮১৮ ভোট। নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার (নৌকা) ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৪ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সামসুজ্জোহা খান (ধানের শীষ) ৯৯ হাজার ৯৫৮ ভোট। নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দিন তরফদার (নৌকা) ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী (ধানের শীষ) ১ লাখ ১২০ ভোট। নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নৌকা) ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামসুল আলম প্রামাণিক (ধানের শীষ) ৪৯ হাজার ৯৭১ ভোট। নওগাঁ-৫ নিজাম উদ্দিন জলিল জন (নৌকা) ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৭৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহিদুল ইসলাম ধলু (ধানের শীষ) ৮৩ হাজার ৭৫৯ ভোট। নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম (নৌকা) ১ লাখ ৯০ হাজার ৪২৯ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আলমগীর কবীর (ধানের শীষ) ৪৬ হাজার ১৫৪ ভোট। 
রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী (নৌকা) ২ লাখ ৩ হাজার ৪৭৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যারিস্টার আমিনুল হক (ধানের শীষ) ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৮ ভোট। রাজশাহী-২ ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা (নৌকা) ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজানুর রহমান মিনু (ধানের শীষ) ১ লাখ ৩ হাজার ৩২৭ ভোট। রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন (নৌকা) ২ লাখ ২০ হাজার ৩২৭ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী শফিকুল হক মিলন (ধানের শীষ) ৮১ হাজার ২২৫ ভোট। রাজশাহী-৪ এনামুল হক (নৌকা) ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৬২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু হেনা (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ১৬০ ভোট। রাজশাহী-৫ ডা. মনসুর রহমান (নৌকা) ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম ম-ল (ধানের শীষ) ৩৩ হাজার ৫২৪ ভোট। রাজশাহী-৬ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম (নৌকা) ২ লাখ ৬০ হাজার ৫৪৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুস সালাম সুরুজ (হাতপাখা) ২৫ হাজার ৪৩২ ভোট। 
নাটোর-১ শহিদুল ইসলাম বকুল (নৌকা) ২ লাখ ৪৬ হাজার ৪৪০ ভোট, নিকটতম কামরুন্নাহার (ধানের শীষ) ১৫ হাজার ৩৩৮ ভোট। নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল (নৌকা) ২ লাখ ৬০ হাজার ৫০৩ ভোট, নিকটতম সাবিনা ইয়াসমিন ছবি (ধানের শীষ) ১৩ হাজার ৭৫৯ ভোট। নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক (নৌকা) ২ লাখ ৩০ হাজার ২৯৬ ভোট, তার নিকটতম দাউদার মাহমুদ (ধানের শীষ) ৮ হাজার ৫৯৩ ভোট। নাটোর-৪ আব্দুল কুদ্দুস (নৌকা) ২ লাখ ৮৬ হাজার ২২০ ভোট, নিকটতম জাতীয় পার্টির আলাউদ্দিন মৃধা (লাঙ্গল) ৬ হাজার ৯৭৯ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম (নৌকা) ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২৮ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা (ধানের শীষ) ১ হাজার ৯৩ ভোট। সিরাজগঞ্জ-২ হাবিবে মিল্লাত (নৌকা) ২ লাখ ৯৪ হাজার ৮০৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা মাহমুদ (ধানের শীষ) ১৩ হাজার ৭২৮ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৩ মো. আবদুল আজিজ (নৌকা) ২ লাখ ৯৫ হাজার ৭০৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল মান্নান তালুকদার (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ১৩০ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম (নৌকা) ৩ লাখ ৩ হাজার ৬৬৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ) ২৪ হাজার ৮৯৩ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল মোমিন ম-ল (নৌকা) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমিরুল ইসলাম খান আলীম (ধানের শীষ) ২৮ হাজার ৩১৭ ভোট। সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন (নৌকা) ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫৯ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. এমএ মুহিত (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৬৯৭ ভোট। 
পাবনা-১ শামসুল হক টুকু (নৌকা) ২ লাখ ৮২ হাজার ৯৯২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী আবু সাইয়িদ (ধানের শীষ) ১৫ হাজার ৩৯১ ভোট। পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবীর (নৌকা) ২ লাখ ৪২ হাজার ৩৩৮ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিম রেজা হাবীব (ধানের শীষ) ৫ হাজার ৩৬৯ ভোট। পাবনা-৩ মকবুল হোসেন (নৌকা) ৩ লাখ ১ হাজার ১৫৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ারুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৫৬ হাজার ৭৬৪ ভোট। পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরিফ ডিলু (নৌকা) ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৮ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাবিবুর রহমান হাবীব (ধানের শীষ) ৪৮ হাজার ৭৮৬ ভোট। পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স (নৌকা) ৩ লাখ ২১ হাজার ৪৩৮ ভোট, তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হুসাইন (ধানের শীষ) ২০ হাজার ৬৫৪ ভোট। 

 

খুলনা বিভাগ : 
মেহেরপুর-১ অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন (নৌকা) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭ ভোট, নিকটতম মাসুদ অরুন (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ১৯৯ ভোট। মেহেরপুর-২ সাহিদুজ্জামান খোকন (নৌকা) ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০১ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জাভেদ মাসুদ মিলটন (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৭৯২ ভোট। 
কুষ্টিয়া-১ অ্যাডভোকেট আ ক ম সওয়ার জাহান বাদশা (নৌকা) ২ লাখ ৭৬ হাজার ৯৭৮ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী রেজা আহমেদ বাচ্চু (ধানের শীষ) ৩ হাজার ৪২০ ভোট। কুষ্টিয়া-২ জাসদের হাসানুল হক ইনু (নৌকা) ২ লাখ ৮১ হাজার ৪৫ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আহসান হাবিব লিংকন (ধানের শীষ) ৩৬ হাজার ৭৭৪ ভোট। কুষ্টিয়া-৩ মাহবুব উল আলম হানিফ (নৌকা) ৩ লাখ ৫১ হাজার ৩৪ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন সরকার (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৩৭৯ ভোট। কুষ্টিয়া-৪ ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ (নৌকা) ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৪ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (ধানের শীষ) ১২ হাজার ৩১৯ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা-১ সোলাইমান হক ছেলুর জোয়ার্দ্দার (নৌকা) ৩ লাখ ১০ হাজার ২১৬ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী শরীফুজ্জামান শরীফ (ধানের শীষ) ২৫ হাজার ২৮১ ভোট। চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগর টগ (নৌকা) ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪; প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদ হাসান খান বাবু (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ৫১২ ভোট।  
ঝিনাইদহ-২ তাহজিব আলম সিদ্দিকী সমি (নৌকা) ৩ লাখ ২৫ হাজার ৮৮৬ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী ফখরুল ইসলাম (হাতপাখা) ৯ হাজার ২৯৩  ভোট। ঝিনাইদহ-৩ সফিকুল ইসলাম আজম খান চঞ্চল (নৌকা) ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩২ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মতিয়ার রহমান (ধানের শীষ) ৩২ হাজার ২৪৯ ভোট। ঝিনাইদহ-৪ আনোয়ারুল আজিম আনার (নৌকা) ২ লাখ ২৫ হাজার ৯৬৫ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (ধানের শীষ) ৯ হাজার ৫০৬ ভোট। 
যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন (নৌকা) ২ লাখ ৯ হাজার ৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মফিকুল হাসান তৃপ্তি (ধানের শীষ) ৪ হাজার ৮০২ ভোট। যশোর-২ মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন (নৌকা) ৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৫ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আবু সাঈদ (ধানের শীষ) ১২ হাজার ৯৮৮ ভোট। যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ (নৌকা) ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৩৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ) ৩১ হাজার ৭১০ ভোট। যশোর-৪ রনজিৎ কুমার রায় (নৌকা) ২ লাখ ৭৬ হাজার ২৮১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টিএস আইয়ূব (ধানের শীষ) ২৫ হাজার ৯১৯ ভোট। যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য (নৌকা) ২ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস (ধানের শীষ) ২৩ হাজার ১১২ ভোট। যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক (নৌকা) ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) ৫ হাজার ৫৪৮ ভোট। 
মাগুরা-১ অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর (নৌকা) ২ লাখ ৭৪ হাজার ১৩০ ভোট, নিকটে মনোয়ার হোসেন খান (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৪৬৭ ভোট। মাগুরা-২ ড. বীরেন শিকদার (নৌকা) ২ লাখ ৩০ হাজার ১২৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী (ধানের শীষ) ৫২ হাজার ৯ ভোট। 
নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মর্তুজা (নৌকা) ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট, তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট।
খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৩৯ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী  আমীর এজাজ খান (ধানের শীষ) ২৮ হাজার ৫৮৯ ভোট। খুলনা-২ আসনে ভোট হয়েছে ইভিএমে। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ সালাহউদ্দিন (নৌকা) ১ লাখ ১২ হাজার ১০০ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ) ২৭ হাজার ৩৭৯ ভোট। খুলনা-৩ বেগম মন্নুজান সুফিয়ান (নৌকা) ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০৬ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী রকিবুল ইসলাম (ধানের শীষ) ২৩ হাজার ৬০৬ ভোট। খুলনা-৪ আব্দুস সালাম মূর্শেদী (নৌকা) ২ লাখ ২৩ হাজার ২১৫ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী আজিজুল বারী হেলাল (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট। খুলনা-৫ আসনে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (নৌকা) ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৯ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার (ধানের শীষ) ৩২ হাজার ৬৯৪ ভোট। খুলনা-৬ মো. আক্তারুজ্জামান (নৌকা) ২ লাখ ৮৫ হাজার ৬০৪ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা মো. আবুল কালাম আজাদ (ধানের শীষ) ১৯ হাজার ১০৫ ভোট।
সাতক্ষীরা-১ ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ (নৌকা) ৩ লাখ ৩১ হাজার ৪০১ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৯০২ ভোট। সাতক্ষীরা-২ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (নৌকা) ১ লাখ ১১ হাজার ৭৯৪ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা মুহাম্মদ আব্দুল খালেক (ধানের শীষ) ২০ হাজার ৬৯৩ ভোট। এ আসনে ইভিএমে ভোট হয়। সাতক্ষীরা-৩ আ. ফ. ম. রুহুল হক (নৌকা) ৩ লাখ ৪ হাজার ৩৩৬ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শহিদুল আলম (ধানের শীষ) ২৪ হাজার ৩৫৩ ভোট। সাতক্ষীরা-৪ এসএম জগলুল হায়দার (নৌকা) ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৭ ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতা জিএম নজরুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৩০ হাজার ৪৮৬ ভোট।
বাগেরহাট-১ প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন (নৌকা) ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৪৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাসুদ রানা (ধানের শীষ) ১১ হাজার ৪৮৫ ভোট। বাগেরহাট-২ শেখ তন্ময় (নৌকা) ২ লাখ ২১ হাজার ২১২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএ সালাম (ধানের শীষ) ৪ হাজার ৫৯৭ ভোট। বাগেরহাট-৩ তালুকদার হাবিবুন্নাহার (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৯৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাড. আব্দুল ওয়াদুদ (ধানের শীষ) ১৩ হাজার ৪৭৫ ভোট। বাগেরহাট-৪ ডা. মোজাম্মেল হোসেন (নৌকা) ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪১ ভোট, আব্দুল আলীম (ধানের শীষ) ২ হাজার ২৪২ ভোট। 


ঢাকা বিভাগ:
ঢাকা-১: সালমান এফ রহমান (নৌকা) ৩ লাখ ২ হাজার ৯৯৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালমা ইসলাম (মোটরগাড়ি) ৩৭ হাজার ৭৬৩ ভোট। ঢাকা-২: কামরুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইবনে আমান অমি (ধানের শীষ) ৩২ হাজার ৯৪০ ভোট। ঢাকা-৩: নসরুল হামিদ বিপু (নৌকা) ২২১১৫৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৫৯২ ভোট। ঢাকা-৪: আবু হোসেন বাবলা (লাঙ্গল) ১ লাখ ৬ হাজার ৯৫৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালাউদ্দিন আহমেদ (ধানের শীষ) ৩৩ হাজার ১১৭ ভোট। ঢাকা-৫: হাবিবুর রহমান মোল্লা (নৌকা) ২ লাখ ২ হাজার ৮৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নবীউল্লাহ নবী (ধানের শীষ) ৬৭ হাজার ৫৭২ ভোট। ঢাকা-৬: কাজী ফিরোজ রশীদ (লাঙ্গল) ৯২ হাজার ৭০০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুব্রত চৌধুরী (ধানের শীষ) ২৩ হাজার ৫৮০ ভোট। ঢাকা-৭: হাজী সেলিম (নৌকা) ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৭ ভোট, নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহসীন মন্টু (ধানের শীষ)  ৫১ হাজার ৬৭২ ভোট। ঢাকা-৮: রাশেদ খান মেনন (নৌকা) ১ লাখ ৩২ হাজার ৭৪৬ ভোট, নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা আব্বাস (ধানের শীষ) ৩৯ হাজার ২২৯ ভোট। ঢাকা-৯: সাবের হোসেন চৌধুরী (নৌকা) ২ লাখ ২৪ হাজার ২৩০ ভোট, নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী আফরোজা আব্বাস (ধানের শীষ) ৫৯ হাজার ১৬১ ভোট। ঢাকা-১০: শেখ ফজলে নূর তাপস (নৌকা) ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৭২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নান (ধানের শীষ) ৪৩ হাজার ৮৩১ ভোট। ঢাকা-১১: এ কে এএম রহমতুল্লাহ (নৌকা) ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামীম আরা (ধানের শীষ) ৫৪ হাজার ৭২১ ভোট। ঢাকা-১২: আসাদুজ্জামান খান কামাল (নৌকা) ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাইফুল আলম নীবর (ধানের শীষ) ৩২ হাজার ৬৭৮ ভোট। ঢাকা-১৩: সাদেক খান (নৌকা) ১ লাখ ৩ হাজার ১৬৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুস সালাম (ধানের শীষ) ৪৭ হাজার ২৩২ ভোট। ঢাকা-১৪: আসলামুল হক (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৬৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (ধানের শীষ) ৫৪ হাজার ৯৮১ ভোট। ঢাকা-১৫: কামাল মজুমদার (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৬৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শফীকুর রহমান (ধানের শীষ) ৩৯ হাজার ৭১ ভোট। ঢাকা-১৬: ইলয়াস মোল্লা (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫০৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আহসান উল্লাহ হাসান (ধানের শীষ) ৫০ হাজার ৫৩৫ ভোট। ঢাকা-১৭: আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (নৌকা) ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬১০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদ উদ্দিন মাহমুদ (ধানের শীষ) ৭১ হাজার ৭৯২ ভোট। ঢাকা-১৮: সাহারা খাতুন (নৌকা) ৩ লাখ ২ হাজার ৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদ উদ্দিন মাহমুদ (ধানের শীষ) ৭১ হাজার ৭৯২ ভোট। ঢাকা-১৯: এনামুর রহমান (নৌকা) ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন (ধানের শীষ) ৬৯ হাজার ৪১০ ভোট, ঢাকা-২০: বেনজীর আহমদ (নৌকা) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৭৮৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নান (হাতপাখা) ৭ হাজার ২৬৮ ভোট। 
কিশোরগঞ্জ-১: সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করিম খান চুন্নু (ধানের শীষ) ৫০ হাজার ৪০০ ভোট। কিশোরগঞ্জ-২: নূর মোহাম্মদ (নৌকা) ২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আখতারুজ্জামান রঞ্জন (ধানের শীষ) ৫১ হাজার ৩২৩ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৩: মুজিবুল হক চুন্নু (লাঙ্গল) ২ লাখ ২৯ হাজার ৬১৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৩১ হাজার ৭৮৬ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৪: রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক (নৌকা) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৩৮১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলুর রহমান (ধানের শীষ) ৪ হাজার ৮০০ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৫: আফজাল হোসেন (নৌকা) ২ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (ধানের শীষ) ২৯ হাজার ১৫০ ভোট। 
মুন্সীগঞ্জ-২: সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (নৌকা) ২ লাখ ১৫ হাজার ৩৮৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজানুর রহমান সিনহা (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৬৫ ভোট। 
রাজবাড়ী-১: কাজী কেরামত আলী (নৌকা) ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (ধানের শীষ) ৩৩ হাজার ভোট। রাজবাড়ী-২: জিল্লুল হাকিম (নৌকা) ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরুল হক সাবু (ধানের শীষ) ৫ হাজার ৪৭৫ ভোট।
গোপালগঞ্জ-২: শেখ ফজলুল করিম সেলিম (নৌকা) ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল ইসলাম (ধানের শীষ) ২৮০ ভোট। গোপালগঞ্জ-৩: শেখ হাসিনা (নৌকা) ২ লাখ ৩২ হাজার ১০৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম জিলানি (ধানের শীষ) ১২৩ ভোট।
মাদারীপুর-১: নূর-ই-আলম চৌধুরী (নৌকা) ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু জাফর আহমদ (হাতপাখা) ৪৩৬ ভোট। মাদারীপুর-২: শাহজাহান খান (নৌকা) ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৪০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিল্টন বৈদ্য (ধোনের শীষ) ২ হাজার ৫৯০ ভোট। মাদারীপুর-৩ আব্দুস সোবহান গোলাপ (নৌকা) ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৪১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনিসুর রহমান তালুকদার (ধানের শীষ) ৩ হাজার ২৯৬ ভোট। 
নারায়ণগঞ্জ-১: গোলাম দস্তগীর গাজী (নৌকা) ২ লাখ ৪৩ হাজার ৭৩৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনিরুজ্জামান মনির (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৪৩৪ ভোট। নারায়নগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম বাবু (নৌকা) ২ লাখ ৩২ হাজার ৭২২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসিরউদ্দিন (ধানের শীষ) ৫ হাজার ১২ ভোট।  নারায়ণগঞ্জ-৩: লিয়াকত খোকা (লাঙ্গল) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজহারুল ইসলাম মান্নান (ধানের শীষ) ১৮ হাজার ৪৭ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৪: শামীম ওসমান (নৌকা) ৩ লাখ ৯৩ হাজার ১৩৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনির হোসাইন (ধানের শীষ) ৭৬ হাজার ৫৮২ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৫: সেলিম ওসমান (লাঙ্গল) ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৪৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এসএম আকরাম (ধানের শীষ) ৫২ হাজার ৩৫২ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৩: লিয়াকত খোকা এমপি (লাঙ্গল) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজহারুল ইসলাম মান্নান (ধানের শীষ) ১৮ হাজার ৪৭ ভোট।
টাঙ্গাইল-১: মো. আব্দুর রাজ্জাক (নৌকা) ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৭ ভোট, সরকার শহিদ (ধানের শীষ) ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট। টাঙ্গাইল-২: তানভীর হাসান (নৌকা) ২ লাখ ৯৯ হাজার ৯৪৮ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (ধানের শীষ) ৯ হাজার ৮৮৯ ভোট। টাঙ্গাইল-৩: আতাউর রহমান খান (নৌকা) ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৩৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লুৎফর রহমান খান আজাদ (ধানের শীষ) ৯ হাজার ১২২ ভোট। টাঙ্গাইল-৪ সোহেল হাজারী (নৌকা) ২ লাখ ২৪ হাজার ১২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী পান (ধানের শীষ) ৩৪ হাজার ৩৮৮ ভোট। টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন (নৌকা) ১ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬২ ভোট, নিকটতম প্রার্থী মাহমুদুল হাসান (ধানের শীষ) ৭৮ হাজার ৯৯২ ভোট। টাঙ্গাইল-৬: আহসানুল ইসলাম টিটু (নৌকা) ২ লাখ ৮০ হাজার ২২৭ ভোট, নিকটতম প্রার্থী গৌতম চক্রবর্তী (ধানের শীষ) ৪৪ হাজার ৫৫৯ ভোট। টাঙ্গাইল-৭: একাব্বর হোসেন (নৌকা) ১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৭৬, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ) ৮৫ হাজার ৮০৩ ভোট। টাঙ্গাইল-৮: জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের (নৌকা) ২ লাখ ৭ হাজার ৬৭৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুঁড়ি সিদ্দিকী (ধানের শীষ) ৭১ হাজার ১৪৪ ভোট। 
মানিকগঞ্জ-১: নাঈমুর রহমান দুর্জয় (নৌকা) ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৫৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল হামিদ ডাবলু (ধানের শীষ) ৫৬ হাজার ৪৪৭ ভোট। মানিকগঞ্জ-২: মমতাজ বেগম (নৌকা) ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী মঈনুল ইসলাম খান (ধানের শীষ) ৪৯ হাজার ৩১ ভোট। মানিকগঞ্জ-৩: জাহিদ মালেক স্বপন (নৌকা) ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মফিজুল ইসলাম খান কামাল (সূর্য) ৩০ হাজার ৩৮১ ভোট।
ফরিদপুর-১: মনজুর হোসেন (নৌকা) ৩ লাখ ৬ হাজার ভোট, নিকটতম প্রার্থী মোহাম্মদ আবু জাফর (ধানের শীষ) ২৬ হাজার ভোট। ফরিদপুর-২: সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (নৌকা) ২ লাখ ১৯ হাজার ২০৯ ভোট, নিকটতম প্রার্থী শামা ওবায়েদ (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট। ফরিদপুর-৩: খন্দকার মোশাররফ হোসেন (নৌকা) ২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ (ধানের শীষ) ২১ হাজার ৭০৪ ভোট। ফরিদপুর-৪: মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন (সিংহ) ১৪ হাজার ৫০০০ ভোট, নিকটতম প্রার্থী কাজী জাফরুল্লাহ (নৌকা) ৯ লাখ ৫১ হাজার ৬৩ ভোট।
নরসিংদী -১: নজরুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ৭১ হাজার ৪৮ ভোট, নিকটতম প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন (ধানের শীষ) ২৪ হাজার ৭৮৪ ভোট। নরসিংদী-২: আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ (নৌকা) ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৮ ভোট, ড. আব্দুল মঈন খান (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৬০ ভোট। নরসিংদী-৩: জহিরুল হক ভূইয়া মোহন (নৌকা) ৯৪ হাজার ৩৫ ভোট, নিকটতম প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম মোল্লা ৫২ হাজার ৮৭৬ ভোট। নরসিংদী -৪: নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নৌকা) ২ লাখ ৬৩ হাজার ৩৮০ ভোট, নিকটতম প্রার্থী সরকার সাখাওয়াত হোসেন বকুল (ধানের শীষ) ১৫ হাজার ৮০০ ভোট।  নরসিংদী-৫: রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজু (নৌকা) ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৮৪ ভোট, নিকটতম প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল (ধানের শীষ) ২০ হাজার ৪৩১ ভোট। 
গাজীপুর-১: আ ক ম মোজাম্মেল হক (নৌকা) ৪ লাখ ১ হাজার ৫৩৬ ভোট, নিকটতম প্রার্থী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ) ৯২ হাজার ৩৭০ ভোট। গাজীপুর-২: জাহিদ আহসান রাসেল (নৌকা) ৪ লাখ ১২ হাজার ১৪০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সালাউদ্দিন সরকার (ধানের শীষ) ১ লাখ ১৪০ ভোট।  গাজীপুর-৩: ইকবাল হোসেন সবুজ (নৌকা) ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮৬১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইকবাল সিদ্দিকী (ধানের শীষ) ৩৭ হাজার ৩২২ ভোট। গাজীপুর-৪: সিমিন হোসেন রিমি (নৌকা) ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ ভোট, নিকটতম প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান (ধানের শীষ) ১৮ হাজার ৫৮২ ভোট। গাজীপুর-৫: মেহের আফরোজ চুমকি (নৌকা) ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮২৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফজলুল হক মিলন (ধানের শীষ) ২০ হাজার ১১৬ ভোট। 


ময়মনসিংহ বিভাগ : 
ময়মনসিংহ-১ : জুয়েল আরেং (আ.লীগ) নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন দুই লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের অ্যাডভোকেট আফজাল এইচ খান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩৮ ভোট। ময়মনসিংহ-২ : শরীফ আহমেদ (আ.লীগ) নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন দুই লাখ ৯১ হাজার ৪৭১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ শহীদ সারোয়ার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৩৩ ভোট। ময়মনসিংহ-৩ : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন আহমেদ (আ.লীগ) পেয়েছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের এম ইকবাল হোসেন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫১৯ ভোট। ময়মনসিংহ-৪ : মহাজোটের রওশন এরশাদ (লাঙল) পেয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৯৭ ভোটে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের আবু ওহাব আকন্দ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ তিন হাজার ৯৫ ভোট। ময়মনসিংহ-৫ : কে এম খালিদ বাবু (আ.লীগ) পেয়েছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জাকির হোসেন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২২ হাজার ২০৩ ভোট। ময়মনসিংহ-৬ : আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন অ্যাডভোকেট (নৌকা) পেয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের শামসুদ্দিন আহমদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩২ হাজার ৩৩৫ ভোট। ময়মনসিংহ-৭ : আওয়ামী লীগের হাফেজ রুহুল আমিন মাদানি (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ চার হাজার ৭৩৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঐক্যফ্রন্টের ডাক্তার মাহবুবর রহমান লিটন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৪০৮ ভোট। ময়মনসিংহ-৮ : মহাজোটের ফকরুল ইমাম (লাঙল) এক লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ঐক্যফ্রন্টের অ্যাডভোকেট এইচ এম খালেজুজ্জামান (গণফোরাম, ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট। ময়মনসিংহ-৯ : আওয়ামী লীগের আনোরুল আবেদীন খান তুহিন (নৌকা) পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৭৫ ভোট। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের খুররম খান চৌধুরী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১০ হাজার ৭২৮ ভোট। ময়মনসিংহ-১০ : আওয়ামী লীগের ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ ৮১ হাজার ২৩০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির মাহমুদ মোর্শেদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন তিন হাজার ১৭৫ ভোট। ময়মনসিংহ-১১ : আওয়ামী লীগের কাজিম উদ্দিন আহমেদ (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ ২৬ হাজার ১০ ভোট। তার নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের ফখরুদ্দীন আহমেদ বাচ্চু (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৭ হাজার ভোট।
নেত্রকোনা-১ : আওয়ামী লীগের মানু মজুমদার (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ ৬০ হাজার ৩২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৭২৩ ভোট। নেত্রকোনা-২ : আওয়ামী লীগের আশরাফ আলী খান খসরু (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ ৮৩ হাজার ৪৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের ডা. আনোয়ারুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৫৭৩ ভোট। নেত্রকোনা-৩ : আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিল (নৌকা) দুই লাখ ৭০ হাজার ৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭ হাজার ২৮ ভোট। নেত্রকোনা-৪ : আওয়ামী লীগের রেবেকা মমিন (নৌকা) প্রতীকে দুই লাখ চার হাজার ৭৯৫ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি তাহমিনা জামান শ্রাবণী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬০৫ ভোট।  নেত্রকোনা-৫ : আওয়ামী লীগের ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নৌকা) পেয়েছেন এক লাখ ৬৭ হাজার ৫৬২ ভোট। বিএনপির আবু তাহের তালুকাদার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৫ হাজার ৫৪২ ভোট। 
জামালপুর-১ : আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ (নৌকা) পেয়েছেন ২ লাখ ৭১ হাজার ৭৩৪ ভোট এবং প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল মজিদ (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৮৭ ভোট। জামালপুর-২ : আওয়ামী লীগ প্রার্র্থী ফরিদুল হক খান দুলাল (নৌকা) পেয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৪১৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুলতান মাহমুদ বাবু (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭২১ ভোট। জামালপুর-৩ : আওয়ামী লীগের মির্জা আজম (নৌকা) পেয়েছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৫ ভোট।  জামালপুর-৪ : ডাক্তার মুরাদ হাসান (নৌকা) ২ লাখ ১৭ হাজার ১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (লাঙল) পেয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ ভোট। জামালপুর-৫ : ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন (নৌকা) পেয়েছেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন পেয়েছেন ৩৪ হাজার ০৮৭ ভোট।
শেরপুর-১ : আওয়ামী লীগের আতিউর রহমান আতিক (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ ভোট, আর বিএনপির সানছিলা জেবরিন প্রিয়াংকা (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৬৪৩ ভোট। শেরপুর-২ : আওয়ামী লীগের বেগম মতিয়া চৌধুরী (নৌকা) পেয়েছেন তিন লাখ ৪৪২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাহিম চৌধুরী (ধানের শীষ) পেয়েছেন সাত হাজার ৬৫২ ভোট। শেরপুর-৩ : আওয়ামী লীগের একেএম ফজলুল হক চান (নৌকা) পেয়েছেন দুই লাখ ৫১ হাজার ৯৩৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১২ হাজার ৪৯১ ভোট।


সিলেট বিভাগ : 
সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের একেএম আবদুল মোমেন ৩ লাখ ১ হাজার ২ ভোট পেয়ে বিজয়ী। বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১১৯ ভোট। সিলেট-২ আসনে গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে মোকাব্বির খান ৬৯ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহিবুর রহমান (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮০ ভোট। সিলেট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শফি আহমেদ চৌধুরী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮৬৫ ভোট। সিলেট-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইমরান আহমেদ ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৪১৮ ভোট। সিলেট-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাফিজ আহমেদ মজুমদার ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম ধানের শীষের উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯০৭ ভোট। সিলেট-৬ আসনে নৌকা প্রতীকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ২ লাখ ৩ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের ফয়সল আহমেদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮৩ ভোট। 
সুনামগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ২ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিএনপির প্রার্থী নজির হোসেনকে পরাজিত করেছেন। নজির পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৯১৫ ভোট। সুনামগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়া সেনগুপ্তা ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করেছেন। নাছিরের প্রাপ্ত ভোট ৬৭ হাজার ৫৮৭ ভোট। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের এমএ মান্নান ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ ভোট পেয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ধানের শীষের প্রার্থী শাহিনুর পাশা চৌধুরীকে পরাজিত করেছেন। পাশার ভোট ৫২ হাজার ৯২৫। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে মহাজোটের প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে পীর ফজলুর রহমান ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৯ ভোট পেয়ে বিএনপির ফজলুল হক আছপিয়া (৬৯ হাজার ৭৪৯ ভোট) পারাজিত করেছেন। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মহিবুর রহমান মানিক ২ লাখ ২০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বিএনপির মিজানুর রহমান চৌধুরীকে পরাজিত করেছেন। মিজানুরের ভোট ৮৯ হাজার ৬৩৪টি। 
মৌলভিবাজার-১ আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহাব উদ্দিন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৭৪ পেয়ে বিএনপির প্রার্থী নাছির উদ্দিন আহমেদকে পরাজিত করেছেন। নাছিরের ভোট ৬৬ হাজার ৮১৪। মৌলভিবাজার-৩ আসনে আওয়ামী লীগের নেসার আহমেদ ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ পেয়ে বিএনপির নাসের রহমানকে পরাজিত করেছেন। নাসের পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৫৯২ ভোট। মৌলভিবাজার-৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস শহীদ ২ লাখ ১১ হাজার ৬১৩ ভোট পেয়ে বিএনপির মুজিবুর রহমান চৌধুরীকে পরাজিত করেছেন। মুজিবুর পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২৯৫ ভোট।
হবিগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ ১ লাখ ৬০ হাজার ১৬৭ ভোট পেয়ে ঐক্যফ্রন্টের (গণফোরাম) প্রার্থী রেজা কিবরীয়াকে পরাজিত করেছেন। কিবরীয়ার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ৮৪৫। হবিগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল মজিদ খান ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে ইসলামী ঐক্যজোটের ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল বাসিদ আজাদকে পরাজিত করেছেন। বাসিদ পেয়েছেন ৬০ হাজার ৫২ ভোট। হবিগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আবু জহির ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে বিএনপির জিকে গউছকে পরাজিত করেছেন। গউছ পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৭৮ ভোট। হবিগঞ্জ-৪ আসনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী। তিনি ৩ লাখ ৮ হাজার ৭২৭ পেয়ে খেলাফত মজলিস ধানের শীষের প্রার্থী আহমদ আবদুল কাদেরকে (৪৬ হাজার ১৪৩ ভোট) পরাজিত করেছেন। 

চট্টগ্রাম বিভাগ : 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা ফরহাদ (নৌকা) ১ লাখ ১ হাজার ১০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একরামুজ্জামান (ধানের শীষ) ৬০ হাজার ৭৪০ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আবদুস সাত্তার (ধানের শীষ) ৮১ হাজার ২৬৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিয়াউল হক মৃধা (স্বতন্ত্র) ৫৯ হাজার ২২ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ উবায়দুল মুকতাদির চৌধুরী (নৌকা) ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫২৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ হোসেন মাহবুব (ধানের শীষ) ৪৬ হাজার ৭৫ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিসুল হক (নৌকা) ২ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জসিম উদ্দিন (হাতপাখা) ২ হাজার ৮৯৪ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ এবাদুল করিম বুববুল (নৌকা) ২ লাখ ৫০ হাজার ৫২৯ ভোট, কাজী নাজমুল হোসেন (ধানের শীষ) ১৭ হাজার ২১ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ এবিএম তাজুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ৭৮ ভোট, আবদুল খালেক (ধানের শীষ) ১ হাজার ৩২৯ ভোট।
কুমিল্লা-১ ফল স্থগিত। কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ মেরী (নৌকা) ২ লাখ ৫ হাজার ৫৬৯ ভোট, খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ) ২০ হাজার ১৫৬ ভোট। কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (নৌকা) ২ লাখ ৭ হাজার ৩১৮২ ভোট, কাজী মজিবুর রহমান (ধানের শীষ) ১২ হাজার ৩৫৮ ভোট। কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল (নৌকা) ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৪ ভোট। আব্দুল মালেক রতন (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৯৫৮ ভোট। কুমিল্লা-৫ আবদুল মতিন খসরু (নৌকা) ২ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ ভোট, অধ্যক্ষ আবদুল ইউনুস (ধানের শীষ) ১১ হাজার ৯৬০ ভোট। কুমিল্লা- ৬ আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার (নৌকা) ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০০ ভোট, আমিনুর রশিদ ইয়াসিন (ধানের শীষ) ১৮ হাজার ৫৩৭ ভোট। কুমিল্লা-৭ আলী আশরাফ (নৌকা) ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫০ ভোট। রেদোয়ান আহমেদ (ধানের শীষ) ১৫ হাজার ৮৯১ ভোট। কুমিল্লা- ৮ নাসিমুল আলম চৌধুরী নজরুল (নৌকা) ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮২ ভোট, জাকারিয়া তাহের সুমন (ধানের শীষ) ৩৪ হাজার ২১০ ভোট। কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ৭০ হাজার ৫৯২ ভোট, আনোয়ারুল আজিম (ধানের শীষ) ১১ হাজার ৩৬৭ ভোট। কুমিল্লা- ১০ আ.হ.ম মুস্তফা কামাল (নৌকা) ৪ লাখ ৫ হাজার ৪৮৬ ভোট, মনিরুল হক চৌধুরী (ধানের শীষ) ১২ হাজার ১৮৩ ভোট। কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক (নৌকা) ২ লাখ ৮২ হাজার ২৭৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল উদ্দিন (হাতপাখা) ২ হাজার ১০৯ ভোট। 
চাঁদপুর-১ মহীউদ্দীন খান আলমগীর (নৌকা) ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬৬ ভোট, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৯০৪ ভোট। চাঁদপুর-২ নুরুল আমিন (নৌকা) ৩ লাখ ১ হাজার ৫০ ভোট, জালাল উদ্দিন (ধানের শীষ) ১০ হাজার ২৭৭ ভোট। চাঁদপুর-৩ দীপু মনি (নৌকা) ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৯৫ ভোট, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক (ধানের শীষ) ৩৫ হাজার ৮০২ ভোট। চাঁদপুর-৪ শফিকুর রহমান (নৌকা) ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ ভোট, হারুন-অর রশিদ (ধানের শীষ) ৩০ হাজার ৭৯২ ভোট। চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম (নৌকা) ২ লাখ ৯৮ হাজার ১০৪ ভোট, মমিনুল হক (ধানের শীষ) ৩৬ হাজার ৫৬০ ভোট।
ফেনী-১ শিরীন আখতার (নৌকা) ২ লাখ ১ হাজার ৯২৮ ভোট, মুন্সি রফিকুল আলম (ধানের শীষ) ২৬ হাজার ৬১৬ ভোট। ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন হাজারী (নৌকা) ২ লাখ ৯০ হাজার ৬৬২ ভোট, জয়নাল আবেদীন (ধানের শীষ) ৫ হাজার ৭৭২ ভোট। ফেনী-৩ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী  (লাঙ্গল) ২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৭ ভোট, আকবর হোসেন (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৬৭৪ ভোট।
নোয়াখালী-১ এইচএম ইব্রাহিম (নৌকা) ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭০, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৮৬২। নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম (নৌকা) ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জয়নুল আবদীন ফারুক (ধানের শীষ) ২৬ হাজার ১৬৯ ভোট। নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ (নৌকা) ২ লাখ ১৭ হাজার ৪২৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বরকতউল্লাহ বুলু (ধানের শীষ) ৫৩ হাজার ৭৯০ ভোট।
নোয়াখালী-৪ একরামুল করিম চৌধুরী (নৌকা) ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহজাহান (ধানের শীষ) ২৩ হাজার ২৫৭ ভোট। নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের (নৌকা) ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মওদুদ আহমদ (ধানের শীষ) ১০ হাজার ৯৭০ ভোট। নোয়াখালী-৬ আয়েশা ফেরদাউস (নৌকা) ২ লাখ ১০ হাজার ১৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম (ধানের শীষ) ৪ হাজার ৭১৫ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-১ আনোয়ার হোসেন খান (নৌকা) ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ ভোট, শাহাদৎ হোসেন সেলিম (ধানের শীষ) ৩ হাজার ৮৯৪ ভোট। লক্ষ্মীপুর-২ কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল (স্বতন্ত্র) ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল খায়ের ভুঁইয়া (ধানের শীষ) ৯ হাজার ৫৩ ভোট। লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল (নৌকা) ২ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৫, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী (ধানের শীষ) ১৪ হাজার ৪৭৭ ভোট। লক্ষ্মীপুর-৪ আব্দুল মান্নান (নৌকা) ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ স ম আব্দুর রব (ধানের শীষ) ৪০ হাজার ৯৪৯ ভোট।
চট্টগ্রাম-১ মোশাররফ হোসেন (নৌকা) ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল আমিন (ধানের শীষ) ৩ হাজার ৯৯১ ভোট।  চট্টগ্রাম-২ নজিবুল বশর মাইজভা-ারী (নৌকা) ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৩০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজিমুল্লাহ বাহার (ধানের শীষ) ৪৯ হাজার ৭৫৩ ভোট। চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা (নৌকা) ১ লাখ ১৪ হাজার ৬৩৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোস্তফা কামাল পাশা (ধানের শীষ) ২ হাজার ২৯০ ভোট। চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল আলম (নৌকা) ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ) ২৯ হাজার ৪০৭ ভোট। চট্টগ্রাম-৫ আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (লাঙ্গল) ২ লাখ ৫৮ হাজার ২০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (ধানের শীষ) ৩৪ হাজার ১৮ ভোট। চট্টগ্রাম-৬ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী (নৌকা) ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৪২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জসিম উদ্দিন শিকদার (ধানের শীষ) ২ হাজার ৩০৭ ভোট। চট্টগ্রাম-৭ হাছান মাহমুদ (নৌকা) ২ লাখ ১৭ হাজার ১৫৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল আলম (ধানের শীষ) ৬ হাজার ৬৫ ভোট। চট্টগ্রাম-৮ মঈনুদ্দিন খান বাদল (নৌকা) ২ লাখ ৭২ হাজার ৮৩৮ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ) ৫৯ হাজার ১৩৫ ভোট। চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (নৌকা) ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ) ১৭ হাজার ৬৪২ ভোট। চট্টগ্রাম-১০ আফছারুল আমীন (নৌকা) ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল্লাহ আল নোমান (ধানের শীষ) ৪১ হাজার ৩৯০ ভোট। চট্টগ্রাম-১১ এম আবদুল লতিফ (নৌকা) ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৬৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ) ৫২ হাজার ৮৯৮ ভোট। চট্টগ্রাম-১২ সামছুল হক চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনামুল হক (ধানের শীষ) ৪৪ হাজার ৫৯৮ ভোট। চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরওয়ার জামাল নিজাম (ধানের শীষ) ২ হাজার ৭১৪ ভোট। চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪১২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ (ছাতা) ২১ হাজার ৪৭ ভোট। চট্টগ্রাম-১৫ আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী (নৌকা) ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আ ন ম শামসুল ইসলাম (ধানের শীষ) ২৪ হাজার ২৩২ ভোট। চট্টগ্রাম-১৬ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ) ২৬ হাজার ৩৭০ ভোট।
কক্সবাজার-১ জাফর আলম (নৌকা) ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৬৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাসিনা আহমেদ (ধানের শীষ) ৫৩ হাজার ৩৫৭ ভোট। কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক (নৌকা) ২ লাখ ১৩ হাজার ৯১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হামিদুর রহমান আযাদ (স্বতন্ত্র) ১৮ হাজার ৫৮৭ ভোট। কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল (নৌকা)  ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮২৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লুৎফুর রহমান কাজল (ধানের শীষ) ৮৬ হাজার ৭১৮ ভোট। কক্সবাজার-৪ শাহিনা আক্তার চৌধুরী (নৌকা) ১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৪ ভোট, শাহজাহান চৌধুরী (ধানের শীষ) ৩৭ হাজার ১৮ ভোট।
রাঙামাটি দীপংকর তালুকদার (নৌকা) ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৮১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্বী ঊষাতন তালুকদার (স্বতন্ত্র) ৫৫ হাজার ৪১০ ভোট। খাগড়াছড়ি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা  (নৌকা) ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬১৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নতুন কুমার চাকমা (স্বতন্ত্র) ৫২ হাজার ৬৬৮ ভোট। বান্দরবান বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (নৌকা) ১ লাখ ৪৭ হাজার ২ ভোট, সাচিং প্রু (ধানের শীষ) ৫৮ হাজার ৭১০ ভোট।


বরিশাল বিভাগ : 
বরিশাল-১: আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ (নৌকা) ২ লাখ ৫ হাজার ৫০২ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জহির উদ্দিন স্বপন (ধানের শীষ)  ১ হাজার ৩০৫ ভোট। বরিশাল-২: শাহে আলম (নৌকা)  ২ লাখ ১২ হাজার ৫১১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু (ধানের শীষ) ১০১৬৮ ভোট। বরিশাল-৩: গোলাম কিবরিয়া টিপু (নৌকা) ৫৪ হাজার ৫৬৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জয়নুল আবেদীন (ধানের শীষ)  ৪৭ হাজার ২০৫ ভোট। বরিশাল-৪: পংকজ নাথ (নৌকা)  ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জে এম নূরুর রহমান (ধানের শীষ)  ২ হাজার ৩৮ ভোট। 
ভোলা-১: তোফায়েল আহমেদ (নৌকা)  ২ লাখ ৪২ হাজার ১৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম নবী আলমগীর (ধানের শীষ)  ৭ হাজার ২৪ ভোট। ভোলা-২: আলী আজম (নৌকা)  ২ লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাফিজ ইব্রাহিম (ধানের শীষ)  ১ হাজার ৩৯৯ ভোট। ভোলা-৩: নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (নৌকা) ২ লাখ ৫০ হাজার ৪১১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোসলেহ উদ্দিন (হাতপাখা)  ৪ হাজার ৪৫ ভোট। ভোলা-৪: আব্দুল্লাহ আল ইসলাম (নৌকা)  ২ লাখ ২৯ হাজার ১৫০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মুহিবুল্যাহ (হাতপাখা)  ৬ হাজার ২২ ভোট। 
বরগুনা-১: ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (নৌকা) ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মতিয়ার রহমান তালুকদার (ধানের শীষ)  ১৫ হাজার ৩৪৪ ভোট। বরগুনা-২: শওকত হাচানুর রহমান (নৌকা)  ২ লাখ ৩২৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার মাহবুব হোসেন (ধানের শীষ)  ৯ হাজার ৫১৮ ভোট। 
পটুয়াখালী-১: শাহজাহান মিয়া (নৌকা) ২ লাখ ৭১ হাজার ৫৮ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলতাফুর রহমান (হাতপাখা)  ১৫ হাজার ৬০ ভোট। পটুয়াখালী-২: আ স ম ফিরোজ (নৌকা)  ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নজরুল ইসলাম (হাতপাখা)  ৯ হাজার ২৬৯ ভোট। পটুয়াখালী-৩: এস এম শাহজাদা (নৌকা) ২ লাখ ১৭ হাজার ২১৬ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতী মো. কামাল খান (হাতপাখা) ৯ হাজার ৯ ভোট। পটুয়াখালী-৪: মহিববুর রহমান (নৌকা) ১ লাখ ৮৮ হাজার ৪৭১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা হাবিবুর রহমান (হাতপাখা) ৫ হাজার ৮১৬ ভোট। 
পিরোজপুর-১: শ ম রেজাউল করিম (নৌকা) ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬১০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামীম সাঈদী (ধানের শীষ) ৮ হাজার ৩০৮ ভোট। পিরোজপুর-২: আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (বাইসাইকেল) ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪২৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান (ধানের শীষ) ৬ হাজার ৩২৬ ভোট। পিরোজপুর-৩: রুস্তম আলী ফরাজী (লাঙল) ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩১০ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রহুল আমীন দুলাল (ধানের শীষ) ৭ হাজার ৬৯৮ ভোট। 
ঝালকাঠী-১: বজলুল হক হারূন (নৌকা) ১ লাখ ৩১ হাজার ৫২৫ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর (ধানের শীষ) ৬ হাজার ১৫১ ভোট।  ঝালকাঠী-২: আমির হোসেন আমু (নৌকা) ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জীবা আমিনা খান (ধানের শীষ) ৫ হাজার ৯৮২ ভোট।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে