গুলশান নাসরিন চৌধুরী-ইন্টেরিয়র ডিজাইনার

  অনলাইন ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এ রকম বৈঠকের মাধ্যমে দেশীয় ফ্যাশন নিয়ে কে কী ভাবছি তা বিনিময় করার একটু সুযোগ তৈরি হয়। সেজন্য আয়না সময়ের ডাক আমরা উপেক্ষা করতে পারিনি। দেশীয় শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে নানা ধরনের সমস্যার সম্মখীন হতে হয়। আমি গণমাধ্যমকে, আয়না সময়কে অনুরোধ করব আপনারা দেশীয় শিল্পের সমস্যাগুলো তুলে ধরুন। আপনারা যত বেশি দেশীয় শিল্পের সমস্যাগুলো, আমাদের সমস্যাগুলো তুলে ধরবেন দেশীয় শিল্প তত এগিয়ে যাবে, সমৃদ্ধ হবে। শুধু ড্রেসআপ কিংবা রেসিপিই লাইফস্টাইল নয়, ইন্টেরিয়র ডিজাইনও লাইফস্টাইলের অংশ। একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার বোঝেন কোন পরিবেশে কতটা সুন্দরভাবে তুলে ধরা যায়। অনেকেই মনে করেন ইন্টেরিয়র ডিজাইন করানো অনেক খরচের ব্যাপার। বিষয়টি আসলে তা নয়। আমরা সব সময়ই চেষ্টা করি রুচি, সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে সুন্দর সাজানো একটি পরিবেশ উপহার দিতে। কেউ যদি আমাদের তাদের বাজেটটি সম্পর্কে ধারণ দেয় তবে আমরা সুন্দর করে তার বাসস্থান কিংবা অফিসটি সাজিয়ে দিতে পারি। এক্ষেত্রে লাইফস্টাইল পাতায় ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ওপর লেখাগুলোতে এর বাজেটসহ উপস্থাপন করলে সবাই এ সম্পর্কে একটি ধারণা পাবে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের ওপর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অনেক কম। ফলে ট্যাক্স, ভ্যাট দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া বেশ কঠিন। এক্ষেত্রে বাজেটে ইন্টেরিয়র ডিজাইনিংয়ের ওপর ট্যাক্স কমালে আমাদের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে, নতুন নতুন ডিজাইনার তৈরি হবে। আমি আয়না সময়কে আহ্বান জানাব আপনারা দেশীয় শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে পোশাক, ইন্টেরিয়রসহ মানসম্মত দেশীয় শিল্পকে আরও বেশি বেশি পাঠকদের কাছে তুলে ধরুন, প্রচার করুন।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে