মা নিয়ে দুটি বিখ্যাত বই

  অনলাইন ডেস্ক

১৪ মে ২০১৭, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

 মা- ম্যাক্সিম গোর্কি

রুশ কথাসাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কি রচিত এক কালজয়ী উপন্যাস, যা ১৯০৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। রুশ ভাষায় লিখিত এ উপন্যাসটি পরবর্তী এক শতবছরে সারা বিশ্বের প্রায় সব ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উপন্যাসটি বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এবং উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র হলো প্যাভেল ও তার মা। মা-ছেলের সম্পর্কই উপন্যাসটির মূল বিষয়, তথাপি একটি সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের জন্য তৈরি হতে থাকা রাশিয়ার রাজনীতিক পরিস্থিতি বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করার কারণে এ ঔপন্যাসিক বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ স্থান ও প্রশংসার পাওয়ার দাবি রাখেন; যা তিনি ন্যায্যভাবেই পেয়েছেন। বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রকাশনী সংস্থা বিভিন্ন লেখকের অনূদিত মা উপন্যাস প্রকাশ করেছে। মা উপন্যাসের ওপর আজ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে।

হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবী

১৯৭০-এর দশকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এ উপন্যাসটি রচিত হয়। চারু মজুমদারের ইশতেহারের ডাকে নকশালবাড়ি আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল অসংখ্য শিক্ষিত তরুণ। কিন্তু বাড়িতে খবর এলো, সে ফিরেছে লাশ হয়ে। লেখাপড়ায় ভালো, আদরের সন্তান ব্রতী নয়, বরং হাজার চুরাশি নাম্বার লাশের দায়িত্ব বুঝে নিতে বলা হয় তার মা, সুজাতাকে। এ থেকেই উপন্যাসের নামকরণ করা হয়েছে। ব্রতী শ্রেণিশত্রু, রাষ্ট্রের সহকারী ও পার্টির অভ্যন্তরে প্রতি-বিপ্লবীদের ক্রমাগত নির্মমভাবে হত্যা করার পক্ষপাতী ছিল। গল্পটি শুরু হয়েছে ব্রতীর মৃত্যুবার্ষিকীর দিন। সুজাতা ব্রতীর জন্ম থেকে তার ছেলের স্মৃতিচারণা করছেন। তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তিনি যেন তার ছেলেকে ভুলে যান। কারণ তার ছেলের মতো লোকেরা ‘ক্যানসারাস গ্রোথ অন দ্য বডি অব ডেমোক্রেসি’। বহু বছর পর সুজাতা এই ভেবে শান্তি পান যে, রাজনৈতিক অশান্তিতে তার ছেলের মৃত্যু প্রায় কোনো ঘরকেই ছাড়েনি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে