ফ্রান্সের ফাইনালে ওঠার গল্প

  ক্রীড়া প্রতিবেদক

১২ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ০৯:৪১ | প্রিন্ট সংস্করণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের ফেভারিটের তালিকায় ছিল ফ্রান্স নামটিও। কেননা গড় বয়সে নাইজেরিয়ার পর সবচেয়ে তরুণ দল ফ্রান্স। গোলরক্ষক থেকে শুরু করে রক্ষণভাগ, মধ্যমাঠ ও আক্রমণভাগে এক ঝাঁক তারকা খেলোয়াড়ে ভরা দলটি। দুরন্ত গতির এ দলটি বিশ্বকাপের শুরু থেকে নাম অনুযায়ী খেলেছে। ১৯৯৮ সালে দিদিয়ের দেশমের নেতৃত্বে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল ফরাসিরা। সেই দেশম বর্তমান ফ্রান্স দলটির কোচ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তার দল দুরন্ত গতির ফুটবল উপহার দিয়ে ফাইনালে ওঠেছে।

একটি বিষয় লক্ষণীয় গ্রুপপর্বে তেমন শক্তিশালী বড় কোনো দলের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়নি ফ্রান্সকে। ‘সি’ গ্রুপ ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল- ডেনমার্ক, পেরু ও অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ের পরই ফরাসি সৌরভ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর পেরুর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে দেশমের দল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ডেনমার্কের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে নাম লেখায় ফ্রান্স।

৩ ম্যাচ খেলে তাদের অর্জন ছিল ৭ পয়েন্ট। নকআউট পর্বেই আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বড় পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিল ফরাসিরা। এ ম্যাচটি ৪-৩ গোলে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে তারা। রোমাঞ্চকর ম্যাচ হয়েছিল এটি। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়ের পর আরও উজ্জীবিত হয় ফ্রান্স।

এই ম্যাচের আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়ে শেষ আটের ম্যাচের উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পায় জিনেদিন জিদানের দেশ। এরপর বেলজিয়ামের বিপক্ষে কৌশলী ফুটবল খেলে জয় তুলে নেয় ফরাসিরা।

দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আভাস দিয়েছে তারণ্যদীপ্ত ফ্রান্স দলটি। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয় নকআউট, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের কোনো ম্যাচেই টাইব্রেকারের ভাগ্য পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়নি তাদের। সার্বিক পারফরম্যান্সের হিসাবে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে ফ্রান্স।

এ নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব দেখাল ফরাসিরা। এর আগে ২০০৬ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠেছিল তারা। সেবার ইতালির কাছে হেরে যায় ফ্রান্স।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে