প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে চীনের সংবাদমাধ্যমে বিশ্লেষণ

ভারতের কূটনীতি ব্যর্থ হতে পারে

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৮, ০০:৫৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে কূটনীতিক তৎপরতা জোরদার করেছে ভারত। কিন্তু তাদের সেই তৎপরতা ব্যর্থ হতে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলো ভারতের কথা আর নাও শুনতে পারে। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের এক বিশ্লেষণে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।

ভারতের কূটনীতিক তৎপরতা নিয়ে চীনের বিশ্লেষক হু ঝিয়ং গ্লোবাল টাইমসকে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। এ বিশ্লেষক বলেন, চীন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সিল্করুটের মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলছে এবং এ ধরনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে বড় ধরনের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। ভারত তার প্রতিবেশী দেশ ভুটান, বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের চেষ্টা করছে; কিন্তু সম্ভবত এ কৌশল ব্যর্থ হতে পারে।

গ্লোবাল টাইমস চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র লু ক্যাংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলছে, কমিউনিস্ট এ রাষ্ট্রটি পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন করতে চায়। সাংহাই অ্যাকাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্সের ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনের ফেলো হু ঝিয়ং বলেন, ভারত তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের চেষ্টা যতই করুক তা কাজ করবে না। নেপালে নির্বাচিত কে পি অলি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশটির দায়িত্বভার নেওয়ার বিষয়টি ভারতের জন্য সাংঘাতিক এক বড় আঘাত হিসেবে মন্তব্য করেন হু।

তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এবং মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা সিল্করুটে খুবই উদ্যোগী অংশগ্রহণ করছে। ভারতও কিবলা পরিবর্তন করে এ অঞ্চলে সততার সঙ্গে চীনের এ উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পারে। যদি ভারত তা না করে বা পশ্চিমানীতি পরিবর্তন না করে, তা হলে তার সহযোগী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এ ধরনের হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে