মতবিরোধ নিয়েই শেষ হলো জি-৭ সম্মেলন

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১১ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রকে একঘরে করার মধ্য দিয়ে জি-৭ সম্মেলন শুরু হয়েছিল। কিন্তু কানাডায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সেসব বিরোধ মিটল না। বরং বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সম্মেলনটি গতকাল শেষ হলো। খবর বিবিসি।

কানাডার ‘অসততা’কে দায়ী করে জি-সেভেন সম্মেলন শেষে স্বাক্ষরিত যৌথ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শিল্পোন্নত অন্য দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘বড় ধরনের শুল্ক’ আরোপ করে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও কানাডার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের মতবিরোধ চলছিল। তা সত্ত্বেও শিল্পোন্নত দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা জি-৭ সম্মেলনে ‘নিয়মানুযায়ী বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা’য় সমর্থন জানিয়ে যৌথ প্রজ্ঞাপনে সম্মত হয়েছিলেন। ট্রাম্পের প্রত্যাহারের পর ওই প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার আগেই সিঙ্গাপুর যাওয়ার পথে করা এক টুইটে ট্রাম্প যৌথ ঘোষণা থেকে সরে আসার কথা জানান। তিনি বলেন, জি-৭ সম্মেলনে থাকা মার্কিন প্রতিনিধিদের যৌথ ওই প্রজ্ঞাপনটি অনুমোদন না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছেয়ে যাওয়া অটোমোবাইল পণ্যের শুল্কের পরিমাণও খতিয়ে দেখা হবে। ট্রাম্পের এই অবস্থানের পর পরই ১ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রুডো।

জাতীয় নিরাপত্তায় উদ্বেগের কথা বলে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে শুল্ক বসিয়েছে তাকে ‘অপমানজনক’ হিসেবেও অ্যাখ্যা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, খুবই দুঃখজনক হবে, তা সত্ত্বেও দৃঢ ও স্পষ্ট করে জানাতে চাই, আমরা ১ জুলাই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার পথেই অগ্রসর হব। কানাডার নাগরিকরা নম্র ও যুক্তিসঙ্গত আচরণ করলেও আমাদের ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হবে, তা দেখতে চাইব না আমরা।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে