উ. কোরিয়াকে বশে আনতে পারছে না যুক্তরাষ্ট্র

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০১ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৮, ১৩:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ

সিঙ্গাপুরে ১২ জুন সমঝোতা বৈঠকের পরও উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের জ্বালানি ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালু রেখেছে, এমন তথ্য রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে। এ কারণে উত্তর কোরিয়াকে কোনো ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া এখনো পিয়ংইয়ং ওয়াশিংটনের আস্থাভাজন হয়ে উঠতে পারেনি, এমনই আভাস পাওয়া গেছে গত শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিতে।

এর আগে গত সপ্তাহে এমন একটি খবর আসে যে, উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বাড়িয়ে দিয়েছে। অবকাঠামোর উন্নয়ন করছে। এসব বিষয় ধরা পড়েছে স্যাটেলাইটের চিত্রে। একই সঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের এ তথ্য যোগ হওয়ায় বিষয়টি জোরালো হয়ে উঠছে। অথচ সিঙ্গাপুর বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন যে, তারা পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করবে। সেই অনুযায়ী বিশ্ববাসীকে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন- ‘উত্তর কোরিয়া এখন আর হুমকি নয়’। কিন্তু এর পরই উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে নেতিবাচক খবর আসতে থাকে। ট্রাম্পও সুর বদল করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এখনো হুমকি’।

মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের ধারণা, আলোচনা সত্তে¡ও উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক জ্বালানি তৈরি অব্যাহত রেখেছে এবং একাধিক গোপন স্থাপনায় সম্প্রতি উৎপাদন বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তার বরাতে মার্কিন সংবাদ নেটওয়ার্ক এনবিসি তাদের প্রতিবেদনে বলেছেÑ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনার সময় এসব তথ্য লুকিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। গত শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এনবিসি জানায়, মার্কিন গোয়েন্দাদের সাম্প্রতিক এ তথ্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথার সঙ্গে মেলে না। নাম প্রকাশ না করে এনবিসিকে পাঁচ কর্মকর্তা বলেন, সাম্প্রতিক মাসগুলোয় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য উত্তর কোরিয়া ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কাজ শুরু করে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক‚টনৈতিক আলোচনার সময়েও জ্বালানি তৈরির কাজ বন্ধ রাখেনি। গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নে উঠে এসেছে, ইয়ংবিয়নের পরিচিত জ্বালানি উৎপাদন স্থাপনাটি ছাড়াও উত্তর কোরিয়ার একাধিক গোপন পারমাণবিক স্থাপনা আছে। এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা প্রতারণা করছেÑ এমন সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে। অবশ্য এনবিসির ওই প্রতিবেদনের বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

  • সর্বাধিক পঠিত
  • সর্বশেষ

ই-পেপার

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে